জাতীয়

আ’লীগ থেকে মনোনয়ন ফরম কিনেছেন নাজমুল হুদা

আ’লীগ থেকে মনোনয়ন – একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর শুক্রবার (৯ নভেম্বর) থেকে মনোনয়ন বিক্রি শুরু করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ।

এদিকে, আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট অ্যালায়েন্সের (বিএনএ) ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা।

শুক্রবার (৯ নভেম্বর) ধানমণ্ডির আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ের নির্বাচনী অফিস থেকে মনোনয়ন ফরম কিনেছেন তিনি।

নাজমুল হুদা ঢাকা-১৬ আসন থেকে মনোনয়ন ফরম কিনেছেন বলে জানিয়েছেন, ঢাকা বিভাগের মনোনয়ন ফরম বিক্রির দায়িত্বে থাকা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামসুল কবির রাহাত।

উল্লেখ্য, ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা বিএনপির তৎকালীন বিএনপি–জামায়াত জোট সরকারের আমলে যোগাযোগমন্ত্রী ছিলেন এবং বিএনপির প্রথম স্থায়ী কমিটির সদস্য ছিলেন।

পরবর্তীতে তিনি বিএনপি থেকে বের হয়ে যান এবং বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট অ্যালায়েন্সের (বিএনএ) নামে একটি নতুন দল গঠন করেন। নাজমুল হুদা বর্তমানে বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট অ্যালায়েন্সের (বিএনএ) সভাপতি।

সূত্র- বিডি২৪লাইভ

টাঙ্গাইল এ গায়েবি আগুন আতঙ্কে মির্জাপুরে ১৫ পরিবারের ঘুম হারাম

গায়েবি আগুন আতঙ্কে ভুগছে মির্জাপুরের ১৫টি পরিবার। আগুন আতঙ্কে পরিবারগুলোর দৈনন্দিন কাজকর্ম বন্ধ  হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি রাতের ঘুমও হারাম হয়ে গেছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে মির্জাপুর উপজেলার গোড়াই ইউনিয়নের ধেরুয়া গ্রামে সরেজমিনে গিয়ে এ তথ্য জানা গেছে।

এদিকে ১৫টি পরিবারে আগুন আতঙ্ক ছড়ানোর সাথে এক কবিরাজ জড়িত বলে অভিযোগ উঠেছে।

গ্রামটিতে গিয়ে দেখা গেছে, খন্দকার মতিয়ার রহমান, তোফাজ্জল হোসেন , আব্দুল করিম ও সুজনসহ বেশ কয়েকটি পরিবার তাদের বিছানার কাঁথা-বালিশসহ ঘরের মালামাল বের করে রহস্যময় আগুনের ভয়ে বাড়ির উঠানে স্তুপ করে রেখেছে।

জানা গেছে, গত রোববার সকাল ১০টায় রওশনারা বেগম নামে এক গৃহবধূ দেখতে পান খন্দকার মতিয়ার রহমানের বারান্দায় রশিতে ঝুলানো কাপড় চোপড় আগুনে পুড়ছে। এরপর থেকে প্রতিদিন চার পাঁচ বার ঘরে রক্ষিত কাপড় চোপড় ও বিছানায় হঠাৎ আগুন জ্বলে উঠছে। কে বা কিভাবে আগুন লাগাচ্ছে তা কেউ দেখতে পাননা।

পবিারের সদস্য তোফাজ্জল হোসেন ও রওশনারা জানান, এভাবে পাঁচদিন যাবত পরিবারগুলোতে আগুন আতঙ্ক বিরাজ করছে। আগুন আতঙ্কের কারণে পরিবারগুলোর লোকজন কর্মহীন দিনযাপন এবং নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন।

গোড়াই ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সেলিনা খন্দকার বলেন, এই গায়েবি আগুনের ভয়ে আমরা গ্রামের মানুষ আতঙ্কে আছি। এদিকে এই গায়েবি আগুন দেখতে প্রতিদিন ধেরুয়ার খন্দকার পাড়ায় শত শত লোক ভিড় জমাচ্ছেন।

আতঙ্কিত পরিবারের সদস্য তোফাজ্জল হোসেন বলেন, আগুন জ্বলে উঠার পর প্রথমে শুধুমাত্র আমাদের বাড়ির এক শিশু দেখতে পান। পরে সবাই এসে আগুন নেভান। দুপুরে ওই বাড়িতে অবস্থানের সময় শিশুটির পরনের প্যান্টের পকেটে একটি গ্যাস লাইট পাওয়া গেছে। এসময় শিশুটি দুই সংবাদ কর্মীকে বলে, এক হুজুর কবিরাজ তাকে এক হাজার টাকা দিয়ে গোপনে আগুন লাগাতে বলেছে। এ নিয়ে গ্রামটিতে নানা গঞ্জন শুরু হয়েছে।

এব্যপারে মির্জাপুর থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) একেএম মিজানুল হকের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি জানার পর আমি একজন অফিসার পাঠিয়েছিলাম কিন্তু কোন ক্লু পাওয়া যায়নি। তিনি একে গায়েবি আগুন বলে উল্লেখ করেন।

ছাত্রলীগের বাধায় ফিরে গেল বঙ্গবীর

টাঙ্গাইল শহরের শহীদ মিনারে একই স্থানে ছাত্রলীগের পাল্টা সভা ডাকায় কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর পথসভা পণ্ড হয়ে গেছে।

বৃহস্পতিবার(৮ নভেম্বর) বিকেল ৪টায় স্থানীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে পথসভা করার কথা ছিল কাদের সিদ্দিকীর। জাতীয় ঐক্যফন্টে যোগ দেয়ার পর টাঙ্গাইলে পথসভার কথা ছিল কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের এই নেতার। কিন্তু সেটা তিনি করতে পারেনি।

পাল্টা-পাল্টি সভা ডাকার জের ধরে শহরের পৌর উদ্যানসহ বিভিন্ন স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করেছে জেলা পুলিশ প্রশাসন। ছাত্রলীগের দাবি, তারা কাদের সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে কোনো পাল্টা সভা ডাকেনি। ঘটনাস্থলে তাদের পূর্বনির্ধারিত সভা ছিল।

কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের টাঙ্গাইল জেলা শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম জানান, ঢাকা থেকে টাঙ্গাইলে ফেরার পথে কাদের সিদ্দিকী শহরের শহীদ মিনারে পথসভা করতে চেয়েছিলেন। মির্জাপুরের গোড়াই পাড় হয়ে খবর পাওয়া যায়, শহীদ মিনারে ছাত্রলীগের লোকজন দখল করেছে। এসময় পুলিশও শহীদ মিনার ও আশপাশে অবস্থান নেয়। কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভার জন্য মাইক টানাতে বাধা দেয় ছাত্রলীগের লোকজন। কিন্তু কাদের সিদ্দিকী কোনো অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে দিতে চাননি। তাই তিনি সেখানে পথসভা করতে যাননি।

জেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল জানান, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণাকে স্বাগত জানাতে আগে থেকে ছাত্রলীগ একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করে শহীদ মিনারে। সেখানে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের কোনো পথসভা ছিল বলে জানা ছিল না।

এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক সায়েদুর রহমান বলেন, কাদের সিদ্দিকীর বক্তব্য দেয়ার মতো পরিবেশ সেখানে ছিল না। এজন্য হয়তো তারা পথসভা করেনি। নিরাপত্তার জন্য অতিরিক্ত পুলিশ সেখানে মোতায়েন ছিল।

Source : BD24Live

সিনেমার গল্পকেও হার মানিয়েছে মনিকার প্রেম কাহিনী

চট্টগ্রাম থেকে সাত মাসে আগে ‘নিখোঁজ’ গানের শিক্ষিকা মনিকা বড়ুয়া রাধাকে উদ্ধারের পর পুলিশ বলেছে, তিনি স্বেচ্ছায় সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে গিয়েছিলেন। সেখানে কমলেশ মল্লিক নামে একজনকে বিয়েও করেছিলেন।

সাতক্ষীরার ভোমরা সীমান্ত থেকে মঙ্গলবার মনিকাকে ‘উদ্ধার’ করার পর বুধবার রাতে তাকে চট্টগ্রামে নিয়ে আসা হয়।

বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের(সিএমপি) কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ ও অভিযান) আমেনা বেগম বলেন, মনিকা স্বেচ্ছায় ভারতে গিয়েছিলেন। শুরুতে আমরা মনে করেছিলাম তাকে অপহরণ বা পাচার করা হয়েছে।

পরে জানতে পারি তিনি নিজ ইচ্ছায় গেছেন। যারা তার সন্ধান চেয়ে মানববন্ধন করেছেন তারাও জানতেন মনিকা ভারতে আছেন। এটা আমাদের জানা থাকলে আরও আগেই তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হত।

মনিকা বড়ুয়ার সন্ধান দাবিতে তার বোন ও পরিবারের সদস্যরা চট্টগ্রাম ও ঢাকায় কয়েক দফা মানববন্ধন করেন। তারা সে সময় অভিযোগ করেন, মনিকাকে উদ্ধারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা ‘সন্তোষজনক’ নয়।

পুলিশ কর্মকর্তা আমেনা বেগম বলেন, এটা একটা সেনসেটিভ ঘটনা। তাই ঘটনার পর থেকেই আমরা সর্বোচ্চ সক্রিয় ছিলাম। কমলেশ কুমার মল্লিক নামে এক ভারতীয় নাগরিকের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গে চলে যাওয়ার পর মনিকা সেখানে তাকে বিয়ে করেন বলে জানানো হয় পুলিশের সংবাদ সম্মেলনে।

গানের টিউশনিতে যাওয়ার কথা বলে গত ১২এপ্রিল চট্টগ্রাম নগরীর লালখান বাজারের হাই লেভেল রোডের বাসা থেকে বের হয়ে ৪৫ বছর বয়সী মনিকা আর ফেরেননি বলে জানানো হয়েছিল তার পরিবারের পক্ষ থেকে।

মনিকার স্বামী দেবাশীষ বড়ুয়া ১৩ এপ্রিল এ বিষয়ে নগরীর খুলশি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। ২৮ এপ্রিল সেটি ‘অপহরণ’ মামলায় রূপান্তর করা হয়।

দেবাশীষ শুরু থেকেই দাবি করে আসছিলেন, তাদের মধ্যে কোনো দাম্পত্য সমস্যা নেই। কীভাবে, কেন মনিকা নিখোঁজ হয়েছেন, তা তিনি বুঝতে পারছেন না।

দুই মেয়ের জননী মনিকা নগরীর কাতালগঞ্জের লিটল জুয়েলস স্কুলে গান শেখাতেন। তার বড় মেয়ে নগরীর একটি কলেজে একাদশ শ্রেণিতে এবং ছোট মেয়ে অষ্টম শ্রেণিতে পড়ে।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ কর্মকর্তা আমেনা বেগম বলেন, গত ৪ নভেম্বর ঢাকার ধানম-ির ৩২ নম্বর সড়ক থেকে কমলেশ কুমার মল্লিককে গ্রেপ্তার করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে কমলেশ জানান, তিনি নিজেই ১২ এপ্রিল চট্টগ্রাম থেকে বাসে করে মনিকাকে বেনাপোলে নিয়ে যান। পরে পাসপোর্ট-ভিসা ছাড়াই তাকে নিয়ে ভারতে প্রবেশ করেন।

পুলিশ বলছে, কলকাতায় মনিকার নতুন নাম দেওয়া হয় অনামিকা মল্লিক। স্বামী হিসেবে কমলেশ মল্লিকের নাম উল্লেখ করে সেখানে মনিকার জন্য পরিচয়পত্র ও অন্যান্য কার্ডও তৈরি করা হয়। মন্দিরে গিয়ে ধর্মীয় রীতিতে তারা বিয়ে করলেও তা রেজিস্ট্রি করা হয়নি।

চট্টগ্রাম নগর গোয়েন্দা পুলিশের উপকমিশনার মিজানুর রহমান বলেন, মনিকা কলকাতার একটি অ্যাপার্টমেন্টে আছেন জানতে পেরে ‘কৌশলে’ তাকে মঙ্গলবার ভোমরা সীমান্তে আনার ব্যবস্থা করা হয়। আগে থেকেই সেখানে অবস্থান নিয়ে থাকা পুলিশ তাকে নিয়ে পরে চট্টগ্রামে আসে।

অন্যদের মধ্যে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের অতিরিক্ত কমিশনার মো. কামরুজ্জামান সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

মদ খাইয়ে বিয়ের প্রস্তাব!! রাজি না হওয়ায় খুন

সিলেটের ওসমানীনগরের দয়ামীরে মাটি খুঁড়ে উদ্ধার করা লাশের সঠিক পরিচয় পাওয়া না গেলেও এ ঘটনায় মামলা দায়ের করে ৪ জনকে গ্রেফতার দেখিয়েছে পুলিশ। আদালতে তারা ১৬৪ ধারা জবানবন্দি দিয়েছেন। তবে আসামীরা জানিয়েছেন খুন হওয়া মহিলার নাম তিশা বেগম। তিশার ব্যাপারে পুলিশ এখনও কোন সন্ধান পায়নি।

৬ নভেম্বর এস আই সাইফুল মোল্লা বাদি হয়ে এ ব্যাপারে থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা নং ৩। বুধবার বিকাল ৪টার দিকে সিলেটের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালত-১ এর বিচারক কানন দেব আসামীদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করেন।

আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়া আসামিরা হলেন, উপজেলার দয়ামীর ইউনিয়নের খালপাড় গ্রামের মৃত হরমুজ আলীর ছেলে আব্দুল বারিক, তার কথিত স্ত্রী জামালপুর জেলার ভাটি গজারিয়া এলাকার ওয়াহিদ আলীর মেয়ে নাসরিন বেগম পাখি, তার ভাগ্নে একই গ্রামের মইন উদ্দিনের ছেলে মাসুম মিয়া।

এছাড়া একই আদালতে হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা ও মামলার প্রধান আসামি আবুল বারীকের মেয়ে ময়না বেগম, মোনালিসা, আব্দুল বারিকের বোন নেহার বেগম ও দয়ামীর বাজারের পাহারাদার আব্দুল গনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

আদালতের বরাত দিয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মমিনুল ইসলাম জানান, ৪ নভেম্বর রাত ৮টার দিকে তিশা বেগমকে নিয়ে আসামি সেলিম মিয়া দয়ামীরের খালপাড় গ্রামের আব্দুল বারিকের বাড়ি যায়। আব্দুল বারিককে দিয়ে মদ আনিয়ে সেলিম মিয়া ও তিশা বেগম দুজনে পান করে। মদপানকালে তিশাকে সেলিম মিয়া বিয়ের প্রস্তাব দিলে তিশা বিয়েতে রাজি না হলে উভয়ের মধ্যে মনোমালিন্য সৃষ্টি হয়।

জবানবন্দিতে আসামী বলেছে, রাত আনুমানিক ৩টার দিকে আব্দুল বারিকের শোয়ার ঘরে তিশার গলা চেপে ধরে শ্বাসরোধ করে সেলিম মিয়া ও আব্দুল বারিক মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর রাতেই আব্দুর বারিকের কথিত স্ত্রী নাসরিন বেগম পাখি, তার ভাগ্নে মাসুম এবং আরও ৩-৪ জন অজ্ঞাত ব্যক্তি রিকশা চালকের সহায়তায় দয়ামীর বাজারের কনাইশা (র.) মাজারের পশ্চিমে একটি খালি জায়গায় লাশ মাটিচাপা দিয়ে রাখে।

ওসমানীনগর থানার ওসি এসএম আল মামুন তিন আসামির আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের করা মামলার অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামিরা নিহত নারীর যে নাম ঠিকানা দিয়েছিল তাতে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

উলেখ্য, গত ৫ নভেম্বর সকাল ১১টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দয়ামীর বাজারের কনাইশা (র.) মাজারের পশ্চিমে একটি খালি জায়গা থেকে মাটিচাপা দেয়া এক অজ্ঞাত নারীর লাশ উদ্ধার করে ওসমানীনগর থানা পুলিশ।

ঘটনার পর থেকে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৮ জনকে আটক করে পুলিশ। এর মধ্যে পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ৪ জন হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে।

আপনার মতামত