সংবাদ | বিনোদন | সারাক্ষন

চাঞ্চল্যকর! প্রকাশ্যে এল কিমের ‘টর্চার রুম’-এর কথা, জানলে শিউরে উঠবেন

চাঞ্চল্যকর! প্রকাশ্যে এল কিমের ‘টর্চার রুম’-এর কথা, জানলে শিউরে উঠবেন- কিম জং উনের সেই মৃত্যুপুরীতে গার্ডের কাজ করে আসা লিম চোখে দেখা সেইসব অত্যাচারের বিবরণ দেয়৷

সে জানায়নাম কিম জং উন৷ উত্তর কোরিয়া যার সাম্রাজ্য৷ যার অঙ্গুলি হেলনে কোন ছোট কাজ নয়, ভয়ঙ্কর সব মিসাইল আছড়ে পড়ে এপ্রান্ত থেকে ওপ্রান্ত৷ যার একটা পদক্ষেপই যথেষ্ট বিভিন্ন দেশের কপালে ভাঁজ ফেলার জন্য৷

কিন্তু এতদিন যা প্রকাশ্যে এসেছে তা কিছুই নয়৷ তার ‘টর্চার রুমে’র কথা যারা জানে তারাই জানে এর ভয়াবহতা৷ এই ‘টর্চার রুমে’ জীবন্ত গেলেও, দেহ ফিরে আসে নিথর-প্রাণহীন হয়ে৷

এই রুম এতটাই ভয়ঙ্কর যে হিটলারকেও নাকি হার মানাবে, এমনই মত অনেকের৷ আজ তক-এ প্রকাশিত একটি খবর থেকে উঠে এসেছে এমনই তথ্য৷

চলুন চোখ রাখা যাক বাকি তথ্যে-

টর্চার রুম’ এক ‘মৃত্যুপুরী’

চাঞ্চল্যকর! প্রকাশ্যে এল কিমের ‘টর্চার রুম’-এর কথা, জানলে শিউরে উঠবেন

এক নির্যাতিতের বক্তব্য অনুযায়ী, এই কক্ষে আপনি একা বসে বসে শুধু মৃত্যুর অপেক্ষা করতে বাধ্য হবেন৷ প্রতিরাতে আলো নিভে যাওয়ার পরও শোনা যায় বিভিন্ন কক্ষ থেকে চিৎকারের শব্দ৷

কারণ কেউ না কেউ সেখান থেকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে, অবধারিত ভাবে ধরাও পড়ে যায়৷ আর তারপর তাকে নগ্ন করে চলে রাতভোর অত্যাচার৷ প্রতিদিনই সেখানে এই অত্যাচারের ফলে কেউ না কেউ মারা যায়৷

নির্যাতিতা বয়ান থেকে…

এক নির্যাতিতা ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করে বলেন, যেন ভগবান সেই মৃত্যুপুরী থেকে বাকিদের উদ্ধার করেন৷ এমন এমন কক্ষে বন্দিদের রাখা হ, যেখানে সে ঠিকভাবে বসতে বা শুয়ে থাকতেও পারবে না৷

উঠে দাঁড়ানো তো দূরের বিষয়৷ কিছুটা কুকুরদের থাকার জায়গার মতো৷ ওখানেই বন্দিদের থাকতে হয়, খেতে হয়৷ তার মধ্যেই শৌচকর্ম করতে হয়৷

বন্দিদের ভাগ্যে জোটে পচা খাবার

অত্যাচার থেকে মুক্তি পেতে বন্দিরা পালানোর চেষ্টা করলে তাদের গুলি করে হত্যা করা হয়, আর সেই দেহ অন্য বন্দিদের দেখিয়ে ভয় দেখানোর পালা চলে৷ দিনে একবার এক বাটি ভাত দেওয়া হয়৷ তাতে বেশিরভাগটাই থাকে জল৷ আর তার মান এমনই যে বেশিরভাগ সময়েই তার থেকে পচা গন্ধ

বেরিয়ে আসতেসাস্তি থাকে৷ তা না খেলে, খালি পেটেই থাকতে হয়৷ দিনে ১৮ ঘন্টা করে কাজ করান হয় তাদের৷ আরর তাতে না বললেই শুরু হয় অত্যাচার৷ কোনও নিয়মভঙ্গ করলেই এখানে একটাইশাস্তি৷

আর তা হল মৃত্যু৷ এমন নিষ্ঠুরতার কথা হয়তো কেউ শোনেনি৷ শুনবেই বা কি করে? সংবাদমাধ্যমের ও যে হাত পা বাঁধা৷ আজ তক সেই সব তথ্যই তুলে ধরল এবার৷

কিম জং উনের সেই মৃত্যুপুরীতে গার্ডের কাজ করে আসা লিম চোখে দেখা সেইসব অত্যাচারের বিবরণ দেয়৷ সে জানায়, দুই হাত পিছনে বেঁধে দিয়ে বন্দির মুখ দেওয়াল বা টেবিলে ঠুকে দেওয়া হত৷ দিন রাত চলত অত্যাচারের খেলা চলে সেই নরকে৷

লিমের মতে পুরুষ নিরাপত্তা রক্ষীরা মহিলা বন্দিদের ধর্ষম করত৷ লিম স্বচক্ষে এমন হাজার হাজার ধর্ষণ আর খুন হতে দেখেছে৷ এখানেই শেষ নয়, তাদের জীবন্ত জ্বালিয়েও দেওয়া হয়৷

গর্ভবতী হলে মহিলা বন্দিদের জোর করে গর্ভপাত করান হয়৷ তাদের পেটে আঘাত করা হয় বারবার৷ তারপরেো বাচ্চা জন্মগ্রহম করলে তাকে জীবন্ত অবস্থায় কবর দিয়ে দেওয়া হয়৷ খুব কম জনই এই নরক থেকে পালাতে সক্ষম হয়েছে৷

একই রকম পোস্ট
Comments
লোড হচ্ছে...