জাতীয়

কোরবানি দিতে তিনটি খাসি কিনলেন অপু বিশ্বাস, জেনে নিন কত টাকা দাম হল এই খাসির

কোরবানি দিতে- কোরবানির জন্য তিনটি খাসি কিনলেন নায়িকা অপু বিশ্বাস। শাকিব খানকে বিয়ে করার পর ধর্মান্তরিত হয়ে ২০০৮ সালে ইসলাম গ্রহণ করেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস।

কিন্তু তাদের এই ভালোবাসার সংসার বেশি দিন টিকলো না। কিছু দিন আগে এই দম্পতির বিবাহ বিচ্ছেদ হয়েছে। কিন্তু বিচ্ছেদের পরেও ইসলাম ধর্ম ছাড়েননি অপু। তাই আসন্ন কোরবানির ঈদে অপু কী কোরবানি দিচ্ছেন সেটা নিয়ে অপুভক্তদের মনে নানা ধরনের প্রশ্ন উঠছে। ঈদে কী কোরবানি দিচ্ছেন অপু?

কোরবানি সম্পর্কে অপু বিশ্বাস জানিয়েছেন, ‘আমার সংসার, দায়িত্বও আমার। কাজের ব্যস্ততা আছে আবার কোরবানিও গুরুত্বপূর্ণ। ছেলের জন্য ঈদের কেনাকাটাও করতে হবে। এক হাতে অনেক কিছু সামলাতে হয়।

অনেক কিছু ইচ্ছে থাকলেও পেরে ওঠা যায় না। এ বছরে তাই ৩টি খাসি কোরবানি দেব। গতকাল খাশি কেনা হয়ে গেছে। আমার যাওয়ার ইচ্ছে ছিল, ছেলেকে পশুর হাট দেখাতে নিয়ে যাব কিন্তু সময়ের কারণে হয়ে উঠলো না।’

তিনি আরো বলেন, ‘প্রত্যেক মুসলমানেরই কর্তব্য সামর্থ্য থাকলে কোরবানি দেয়া। পবিত্র এই কোরবানি আত্মত্যাগ আর নিজেকে শুদ্ধ করে নেয়ার অনুপ্রেরণা যোগায়।

পশু কোরবানির সঙ্গে সঙ্গে প্রত্যেকে নিজেদের মনের ভেতরের পশুত্বকে, স্বার্থবাদী মনটাকে কোরবানি দেয়ার চেষ্টা করেন। সবার কোরবানি যেন কবুল হয়। আমিও সবার কাছে দোয়া চাই। আমার ছেলে জয়ের জন্য দোয়া চাই।’

কিন্তু গুঞ্জন রয়েছে অপু বিশ্বাস ধর্ম পরিবর্তন করতে পারলেও পুরনো সংস্কার পরিবর্তন করতে পারেননি। সনাতন ধর্মাবলম্বী হিসেবে গরুর মাংস তার জন্য নিষিদ্ধ ছিলো।

সেই সংস্কার তিনি এখনো কাটিয়ে উঠতে পারেননি বলে গরুর মাংস ছুঁয়েও দেখেন না। আর সেই কারনে কোরবানি উপলক্ষ্যে খাসি কিনছেন তিনি। যদিও এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে এড়িয়ে যান অপু বিশ্বাস।

এদিকে, বিয়ে বিচ্ছেদ হলেও ভেঙ্গে পড়েননি তিনি। শাকিব-আপুর একমাত্র সন্তান আব্রাম জয়কে নিয়েই কাটছে তার সময়। জয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনেক বেশি সচেতন অপু। তাই সন্তানকে সময় দিতে ভুল করেননা তিনি।

আব্রাম বেড়ে উঠছে কোন রীতিতে? প্রশ্নের জবাবে অপু বলেন, ‘আব্রাম অবশ্যই ইসলামিক নিয়ম কানুনে বেড়ে উঠছে। আমি যতটা পারি ওকে সেভাবেই বড় করার চেষ্টা করছি।

ইসলামই ওর ধর্ম। এটা পরিস্কার কথা। এখানে কোন সন্দেহ নেই। তাকেও নামাজ পড়া শেখাচ্ছি। আর ও যখন পাঞ্জাবি, টুপি পরে অনেক কিউট লাগে কিন্তু।’

কোরবানির আগে রান্নাঘরের যে কাজগুলো এগিয়ে রাখবেন !!

অন্যান্য উৎসবের তুলনায় কোরবানির ঈদে ব্যস্ততা থাকে বেশি। কারণ কোরবানিকৃত পশুর মাংস কাটা, বিলি-বন্টন, নিজেদের জন্য রান্না, অতিথি আপ্যায়ন- এসবকিছু নিয়েই ব্যস্ত থাকতে হয় সারাদিন। যেহেতু বেশিরভাগ সময় রান্নাঘরেই কাটাতে হবে তাই এই দিনটার জন্য আগেভাগেই গুছিয়ে রাখতে পারেন কিছু কাজ।

কোরবানির সময় মাংসের বিভিন্ন আইটেম রান্না হয়ে থাকে, তাই তার জন্য প্রয়োজনীয় মসলা যেমন- কাবাব মসলা, গরম মশলা ইত্যাদি তৈরি করে এয়ার টাইট বক্সে রেখে দিন। পেঁয়াজ, আদা, রসুন, জিরা আগে থেকেই কেটে বেটে/ ব্লেন্ড করে নিন।

ব্লেন্ড করা মশলা ছোট ছোট বক্সে রেখে বরফ করে এরপর সেগুলোকে জিপ-লক ব্যাগ বা পলি ব্যাগে রেখে দিতে পারেন। এতে প্রয়োজনের সময় ১/২টা মসলার কিউব দিয়ে সহজেই তরকারি রান্না সেরে ফেলতে পারবেন। আস্ত গরম মসলাও কিনে হাতের কাছে রেখে দিন।

কোরবানির মাংস কাটার জন্য দরকার ধারালো ছুরি/বটি। তাই সেগুলো ধার করিয়ে নিন। তবে সাবধান বাসায় শিশু থাকলে, তাদের চোখের আড়ালে রাখুন।

অতিথি আপ্যায়নের জন্য প্রয়োজনীয় বাসন-কোসন ধুয়ে, মুছে নিন ঈদের ২/১ দিন আগে।

ফ্রিজ পরিষ্কার করে কিছু জায়গা খালি করে রাখুন। মাংস সংরক্ষণ করতে লাগবে। ব্লিচিং পাউডার কিনে রাখুন, কোরবানির পরে দুর্গন্ধ দূর করতে এটা ব্যবহার করা হয়।

যেকোনো উৎসবে রান্নার জন্য বড় হাড়ি-পাতিল প্রয়োজন। তাই বাসায় কেনা থাকলে সেগুলো বের করে ভালোভাবে ধুয়ে হাতের নাগালে রাখুন। আর যদি মনে করেন আপনার প্রয়োজনীয় পাতিল কেনার দরকার তবে এখনই কিনে ফেলুন।

বাজারে পলিব্যাগ পাওয়া যায়, যেটা পাউন্ড হিসাবে বিক্রি করে থাকে। বিভিন্ন সাইজের পাওয়া যায়। কিছু পলিব্যাগ কিনে রাখতে পারেন, বাসার মাংস ফ্রিজে সংরক্ষণ ও বিলিবণ্টনের মাংস দিতেও অনেক সুবিধা হবে।

ফ্রিজে মাংস রাখার আগে একবার ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখাটাই উত্তম।