আন্তর্জাতিক

খারাপ ছবি পোস্ট করে আবার আলোচনায় সফিয়া

খারাপ ছবি পোস্ট- সোফিয়া হায়াত। এই নাম আর কন্ট্রোভার্সি (বিতর্ক) যেন ওতোপ্রতোভাবে জড়িত। আপনি যদি কেবল রাখি সাওয়ান্ত, আরশি খান কিংবা কামাল আর খানকেই বিতর্কের তালিকার শীর্ষে বসিয়ে রাখেন তাহলে খুব বড় ভুল করছেন। সোফিয়া হায়াতও কোনও অংশে তাদের থেকে কম যান না। তবে বাকি তিনজন এবং সোফিয়ার মধ্যে একটা পার্থক্য রয়েছে। সেই পার্থক্য হল রাখি, আরশি এবং কেআরকে অন্যান্য অভিনেতা অভিনেত্রীদের সম্বন্ধে খারাপ কথা বলে জনপ্রিয় হন আর সোফিয়া নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বিতর্কের ভাগী হন।

কলকাতার একটি পত্রিকার খবরে বলা হয়, সম্প্রতি সোফিয়া নগ্ন ছবি পোস্ট করেছেন ইনস্টাগ্রামে। যা নিয়ে শুরু হয়েছে সমালোচনা। অবশ্য এই প্রথমবার নয়, এর আগেও তিনি নিজের নগ্ন ছবি মেলে ধরেছিলেন সোশ্যাল মিডিয়ায়।

খারাপ ছবি পোস্ট করে আবার আলোচনায় সফিয়া

রোহিত শর্মার সাবেক প্রেমিকা তিনি। রোহিত একদিনের ক্রিকেটে সর্বোচ্চ ২৬৪ রান করার পর তো সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের নগ্ন ছবি পোস্ট করেছিলেন ব্রিটিশ এই মডেল তথা অভিনেত্রী। শুধু তাই নয়। সোফিয়া বিগ বস– ৭ -এর প্রতিযোগীও ছিলেন। সেই সময় বিগ বসের আর এক প্রতিযোগী আরমান কোহেলির বিরুদ্ধে তিনি মারাত্মক হেনস্থার অভিযোগও তুলেছিলেন।

গত কয়েক বছর আগে তিনি সন্ন্যাসী হয়ে সবাইকে চমকে দিয়েছিলেন। আসলে কীভাবে গোটা দুনিয়ার খবরে থাকতে হয়, তা ভালোই জানেন সোফিয়া হায়াত। কোনও না কোনও কারণে প্রায় খবরের শিরোনামে থাকেন সোফিয়া হায়াত। দিন কতক আগে নিজের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে একটি ভিডিও পোস্ট করেছিলেন। যেখানে প্রকাশ্যে জামা খুলে নিজের শরীরের লাভ-বাইট দেখিয়েছেন সোফিয়া! শুধু একটা নয়। গোটা শরীরজুড়ে লাল চাকা-চাকা দাগ। যা দেখে চমকে উঠেছিলেন। তবে সেটি লাভ বাইটের মতো দেখালেও আসলে একটি চিকিৎসা বলেই দাবি এই ব্রিটিশ মডেলের।

খারাপ ছবি পোস্ট করে আবার আলোচনায় সফিয়া

Cupping marks আসলে একটি চীনের প্রাচীন চিকিৎসা। ব্যথার ক্ষেত্রে মারাত্মক আরামদায়ক এই চিকিৎসা। বাটি মতো একটি জিনিস শরীরে চেপে ব্যথা ঠিক করা হয়ে থাকে। আর তা করতে গিয়ে লাল চাকা-চাকা দাগ তৈরি হয় গোটা শরীরে। যা দেখতে লাগে অনেকটা লাভ-বাইটের মতো। আর সেটাই জামা খুলে দেখিয়েছেন সোফিয়া। আর সেই ভিডিও ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করার সঙ্গে সঙ্গেই ভাইরাল।

বগুড়ায় ৪ বোনের ইয়াবা ব্যবসা, গ্রেফতার ৬

বগুড়া শহরের অভিজাত এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে ইয়াবা ব্যবসা চালিয়ে আসা আপন ৪ বোনসহ ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। ৪ বোনের স্বামী থাকার পরেও নওগাঁ জেলা থেকে বগুড়ায় এসে সর্বনাশা ইয়াবার ব্যবসায় জড়িয়ে পরেছিল বলে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ জানিয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে ২ হাজার ১শ’ পিস ইয়াবা উদ্ধার এবং তাদের বিরুদ্ধে বগুড়া সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সনাতন চক্রবর্তী জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ রবিবার বগুড়া শহরের শহরের জলেশ্বরীতলা ও সূত্রাপুরের চারটি বাসায় অভিযান পরিচালনা করে ডিবি পুলিশ। এসময় ২ হাজার ১শ পিস ইয়াবাসহ ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হল- নওগাঁ জেলার নওগাঁ আনন্দ নগর এলাকার মৃত আবুল কাশেমের ছেলে লোকমান হোসেন (৪৫), বগুড়া শহরের ঠনঠনিয়া হাজিপাড়া লেন এলাকার মৃতঃ জাহেদুর রহমানের ছেলে নাইমুল হাসান শান্ত (২৫) ও চার বোন যথাক্রমে নওগাঁ জেলার পারনওগাঁ এলাকার আশাদুল কবির স্বপনের স্ত্রী মরিয়ম আক্তার নিপু (২৫), একই এলাকার নাহিদ আলমের স্ত্রী মোছাঃ লাবনী (২৮), মোঃ রুশুর স্ত্রী মোছাঃ মনিকা (২০) এবং গ্রেফতারকৃত নাইমুল হাসান শান্ত’র স্ত্রী মোছাঃ শিমু (২৩)। এরা সবাই একই এলাকার হারিছ আহম্মেদের কন্যা।

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ৪ বোনসহ স্বামী-স্ত্রী রয়েছে। এরা দীর্ঘদিন যাবত বগুড়া শহরের অভিজাত এলাকায় ফ্লাট ভাড়া নিয়ে মাদক ব্যবসা করে আসছিল। এদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাদের কাছে থেকে ২ হাজার ১ শ’ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে পুলিশ।