চিত্র বিচিত্র

গোলাম আযমের ছেলেরা কে কোথায়

গোলাম আযমের ছেলেরা- সদ্য প্রয়াত জামায়াতে ইসলামীর প্রাক্তন আমির গোলাম আযমের কোন কন্যাসন্তান নেই। তার ছয় ছেলে। নিজে ধর্মভিত্তিক রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হলেও সন্তানদের তিনি ইংরেজি ও আধুনিক শিক্ষা দিয়েছেন। তার একটি ছেলেকেও মাদ্রাসায় পড়াননি।

গোলাম আযমের বড় ছেলের নাম মামুন আল আযমী। ঢাকায় থাকাকালীন পড়াশোনা করেছেন খিলগাঁও গভর্মেন্ট হাইস্কুলে। এরপর ব্রিটেনের ম্যানচেস্টার ইউনিভার্সিটি থেকে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেন। দীর্ঘদিন তিনি ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের উচ্চ পর্যায়ে কর্মরত ছিলেন। বর্তমানে তিনি সৌদি আরবের জেদ্দায় স্ত্রী-সন্তানসহ বসবাস করছেন।

দ্বিতীয় ছেলে আমিন আল আযমী লন্ডনে পড়ালেখা শেষ করে সেখানেই ব্যবসা ও বসবাস করছেন। তৃতীয় ছেলে আবদুল্লাহিল মোমেন আযমী। মোমেন ঢাকায় থাকাকালীন পড়াশোনা করেছেন ধানমন্ডি বয়েজ স্কুল ও আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজে। এরপর লন্ডনে গিয়ে তিনি উচ্চশিক্ষা অর্জন করেন। বর্তমানে ম্যানচেস্টার সিটিতে পরিবারসহ বাস করছেন।

চতুর্থ ছেলে আবদুল্লাহিল আমান আযমী। নটরডেম কলেজে পড়ালেখা শেষ করে এরশাদ সরকারের প্রথম দিকে সেনাবাহিনীতে কর্মজীবন শুরু করেন। সর্বশেষ সেনাবাহিনীতে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পদে কর্মরত থাকা অবস্থায় তিনি বরখাস্ত হন। ভাইদের মধ্যে একমাত্র তিনিই বাংলাদেশে বাস করছেন।

পঞ্চম ছেলে নোমান আল আযমী। লন্ডনে পড়ালেখা শেষ করে সেখানেই ব্যবসা ও বসবাস করছেন। ছোট ছেলে সালমান আল আযমী ভারতের আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। বর্তমানে তিনি লিভারপুল হোপ ইউনিভার্সিটিতে অধ্যাপনা করছেন।

গোলাম আযমের এই ছয় ছেলের ঘরে ২০ জন নাতি-নাতনি রয়েছে। তাদের প্রায় সবাই লন্ডনের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়ালেখা করছেন। গোলাম আযমের স্ত্রী আফিফা আযম জীবিত রয়েছেন।

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার রাতে গোলাম আযম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। বিদেশে অবস্থানরত তার পাঁচ ছেলে দেশে ফিরলে দাফনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে। ইতিমধ্যে তিন ছেলে লন্ডন থেকে রওনা দিয়েছেন বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।

জাতীয় পরিচয়পত্রের সবকিছু এখন অনলাইনে

এখন থেকে অনলাইনেই জাতীয় পরিচয়পত্রের যাবতীয় কাজ সম্পন্ন করা যাবে। জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন, নতুন ভোটার হিসেবে নিবন্ধন আবেদন, হারিয়ে যাওয়া বা নষ্ট হওয়া পরিচয়পত্র নতুন করে তোলা, ছবি বা স্বাক্ষর পরিবর্তনের আবেদন সবকিছু হবে এখন এক ক্লিকেই।

নির্বাচন কমিশনের services.nidw.gov.bd এই ওয়েবসাইটে গিয়ে এখন ঘরে বসেই সবকিছু করতে পারবেন ইন্টারনেট ব্যবহারকারিরা। পাশপাশি বিদ্যমান প্রক্রিয়াও অব্যাহত থাকবে।

বুধবার নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিক ভাবে এর উদ্বোধন করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিব উদ্দিন আহমেদ।

এসময় কাজী রাকীব উদ্দিন বলেন, আমরা ডিজিটাল কার্যক্রমে আরেক ধাপ এগিয়ে গেলাম। সবাই এখন এই সেবা ভোগ করবেন তা নয়। কারণ সবার ইন্টারনেট সুবিধা নেই। কিন্তু যারা আগ্রহী বা যাদের ইন্টারনেট সুবিধা আছে তাদের জন্যই নতুন এই সেবা।

যে সব সেবা পাওয়া যাবে…

১. নতুন ভোটার হিসেবে নিবন্ধন আবেদন

২. নিবন্ধনের মাধ্যমে নিজের হিসাব খোলা

৩. নিজস্ব তথ্য ও ভোটার কেন্দ্রের তথ্য

৪. তথ্য পরিবর্তন, সংশোধন ও হালনাগাদ

৫. ছবি পরিবর্তন

৬. হারিয়ে যাওয়া বা নষ্ট হওয়া জাতীয় পরিচয়পত্র

বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর বিখ্যাত ১০ ব্যক্তির উক্তি

১. মুজিব হত্যার পর বাঙালিদের আর বিশ্বাস করা যায় না, যারা মুজিবকে হত্যা করেছে তারা যেকোন জঘন্য কাজ করতে পারে।— নোবেল বিজয়ী উইলিবান্ট।

২. শেখ মুজিবের মৃত্যুতে বিশ্বের শোষিত মানুষ হারালো তাদের একজন মহান নেতাকে, আমি হারালাম একজন অকৃত্রিম বিশাল হৃদয়ের বন্ধুকে।— ফিদেল কাস্ট্রো।

৩. আপোষহীন সংগ্রামী নেতৃত্ব আর কুসুম কোমল হৃদয় ছিল মুজিব চরিত্রের বৈশিষ্ঠ্য।— ইয়াসির আরাফাত।

৪. শেখ মুজিব নিহত হবার খবরে আমি মর্মাহত। তিনি একজন মহান নেতা ছিলেন। তার অনন্যসাধারন সাহসিকতা এশিয়া ও আফ্রিকার জনগনের জন্য প্রেরণাদায়ক ছিল।— ইন্দিরা গান্ধী।

৫. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হচ্ছেন সমাজতন্ত্র প্রতীষ্ঠার সংগ্রামের প্রথম শহীদ।তাই তিনি অমর।— সাদ্দাম হোসেন।

৬. শেখ মুজিবুর রহমান ভিয়েতনামী জনগনকে অনুপ্রাণিত করেছিলেন।— কেনেথা কাউণ্ডা।

৭. বঙ্গবন্ধুর হত্যাকান্ডে বাংলাদেশই শুধু এতিম হয়নি বিশ্ববাসী হারিয়েছে একজন মহান সন্তানকে।— জেমসলামন্ড, ইংলিশ এম পি।

৮.শেখ মুজিবকে চতুর্দশ লুইয়ের সাথে তুলনা করা যায়। জনগন তার কাছে এত প্রিয় ছিল যে লুইয়ের মত তিনি এ দাবী করতে পারেন আমিই রাষ্ট্র।— পশ্চিম জার্মানী পত্রিকা।

৯.আওয়ামী লীগ নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের মত তেজী এবং গতিশীল নেতা আগামী বিশ বছরের মধ্যে এশিয়া মহাদেশে আর পাওয়া যাবে না।— হেনরি কিসিঞ্জার।

১০.শেখ মুজিব নিহত হলেন তার নিজেরই সেনাবাহিনীর হাতে অথচ তাকে হত্যা করতে পাকিস্তানীরা সংকোচবোধ করেছে।— বিবিসি-১৫ আগস্ট ১৯৭৫।

আপনার মতামত