সংবাদ | বিনোদন | সারাক্ষন

এই রাশির জাতক হলে চন্দ্রগ্রহণ চলাকালীন অবশ্যই সতর্ক থাকুন

চন্দ্রগ্রহণ চলাকালীন – পূর্ণিমার রাতে হবে আজ বুধবার চন্দ্র গ্রহণ। কিছুক্ষণের মধ্যে শুরু হবে গ্রহণ পর্ব, চলবে মধ্যরাত পর্যন্ত। খালি চোখেই দেখা যাবে সেই গ্রহণের দৃশ্য। ভৌগলিক ব্যাখ্যা অনুযায়ী, এই সময় সূর্য এবং চন্দ্রের মধ্যে চলে আসে পৃথিবী।

তাই ঢাকা দেখা যায় না চাঁদের আলো। একেই বকে গ্রহণ। কিন্তু জ্যোতিষে এই গ্রহণের কিছু ব্যাখ্যা রয়েছে। বিশেষ করে এবছর রাখি পূর্ণিমা ও গ্রহণ একই দিনে পড়ে যাওয়ায় এর কিছু ভালো ও খারাপ প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন জ্যোতির্বিদরা।

বলা হচ্ছে, মেষ, সিংহ, কন্যা ও মীন রাশির মানুষদের ক্ষেত্রে এদিন সুখবর আসবে। চাকরির ক্ষেত্রে, বিয়ের সংক্রান্ত, টাকা পয়সা সংক্রান্ত ও সন্তান সংক্রান্ত সুখবর আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, মকর, মিথুন, তুলা ও কুম্ভ রাশির ক্ষেত্রে কিছু সমস্যা হতে পারে। এই রাশির ব্যক্তিদের উপর মানসিক চাপ পড়বে বলে জানানো হয়েছে। স্বাস্থ্য সম্পর্কেও এদের সচেতন থাকা প্রয়োজন। এমনকি ধন সম্পত্তি হারানোর সম্ভাবনাও রয়েছে।

তাই এই রাশি যাদের রয়েছে এদিন গ্রহণের সময় তাদের শিবের পুজো করতে হবে। ‘ওম নমঃ শিবায়’ মন্ত্রও উচ্চারণ করতে হবে।অন্যদিকে, কর্কট, বৃষ ও ধনু রাশির ক্ষেত্রে মিশ্র প্রভাব পড়বে। এর কর্মক্ষেত্রে সাফল্য পাবেন কিন্তু কিছু সমস্যাও হতে পারে।

মাঝ রাত থেকে শুরু হওয়া এই গ্রহণ মঙ্গলবার ভোররাত পর্যন্ত খালি চোখে দেখা যাবে বলে জানা গিয়েছে। ভারত ছাড়াও গোটা এশিয়া, ইউরোপ এবং আফ্রিকার বিস্তীর্ণ এলাকাতেও দেখা যাবে বলে জানা গিয়েছে।

সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নেহেরু প্লেনেটোরিয়ামের অধিকর্তা জানিয়েছেন, আজ বিকেল থেকে শুরু হবে চন্দ্রগ্রহণ। গোটা রাত ধরে চলবে এই গ্রহণ। এবারের এই গ্রহণ না দেখলে অনেককিছুই মিস করে যাবেন। কারণ, এবারের পর ফের কয়েকবছর পর এহেন ঘটনার সাক্ষী থাকবে দেশ।

মূলত, চন্দ্রগ্রহণের সময়ে পৃথিবী যখন পরিভ্রমণরত অবস্থায় কিছু সময়ের জন্য চাঁদ ও সূর্যের মাঝখানে এসে পড়ে, তখন পৃথিবী, চাঁদ ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করে।

পৃথিবীপৃষ্ঠের কোন দর্শকের কাছে চাঁদ আংশিক বা সম্পূর্ণরূপে কিছু সময়ের জন্য অদৃশ্য হয়ে যায়। এই ঘটনাকে চন্দ্রগ্রহণ বলা হয়। ভৌগলিক এহেন কারণের পাশাপাশি কিছু পৌরাণিক কারণও আছে।

রয়েছে মারাত্মক কিছু অবিশ্বাসও। এই সময়ে অনেকেই অপবিত্রতা এবং অশুভ শক্তির প্রভাব বেড়ে যায় বলে মনে করেন। আর তাতে নাকি বাড়ি, মন্দির সর্বত্রই এর প্রভাব পড়ে। ফলে গ্রহণের সময় পূজা-অর্চনাও বন্ধ রাখা হয়। গ্রহণ শেষ হলে ঘরবাড়ি পরিষ্কারও করেন অনেকে।

Comments
লোড হচ্ছে...