পরামর্শ

না ঘষেই পরিস্কার করুন শিং মাছ

না ঘষেই পরিস্কার করুন- স্বাগতম আজকের টিপস সেকশনে এই সেকশনে দৈনন্দিন কাজ সহজ করে দেয় এমন অনেক টিপস সেয়ার করা হয়ে থাকে। আজও তেমন একটি টিপস নিয়ে হাজির হয়েছি আসা করি ভালো লাগবে আপনাদের ।

শিং মাছ ঘষে ঘষে পরিস্কার করতে যে কি কস্ট সেটা যে করে একমাত্র সেই জানে তবে আজ এমন একটি টিপস নিয়ে হাজির হয়েছি যেটা দিয়ে আপনি সহজেই শিং মাছ পরিস্কার করতে পারবেন। কোন রকম কস্ট ছাড়াই তাহলে আসুন আজ দেখে নেই কিভাবে সহজে শিং মাছ পরিস্কার করবেন।

এই জন্য আপনার প্রয়োজন হবে পেপে পাতা পেপে পাতা কুচি করে কেটে নিন। সব থেকে ভালো হবে যদি আপনি পেপে পাতা ব্লেন্ড করে নিতে পারেন। এবার এই মিশ্রন মাছের সাথে ৫-৭ মিনিট রেখে দিন। ৫-৭ মিনিট পর পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে নিলেই দেখবেন আপনার শিং মাছ একদম সাদা হয়ে গেছে। তাহলে আর ঘসাঘষি কেন? বাসায় ট্রাই করে দেখুন।

রাইস কুকারে সহজে কেক বানানোর রেসিপি

কেক খেতে কে না ভালবাসে? বার্থডে, গায়ে হলুদ, আরও অনেক অনুষ্ঠানে কেক না হলে চলেই না। আর নিজেরাই যদি পছন্দ মতো কেক বানাতে পারেন তবে কি আর দোকানের কেক খেতে হয়? সবাই শুধু ওভেনে কেক বানানোর রেসিপি দেন।

কিন্তু যাদের ওভেন নেই তাদের অনেকটা মুশকিলে পরতে হয় কেক বানানো নিয়ে। আর তাই আজ বিডি রান্নাঘর তাদের জন্য নিয়ে এলো রাইস কুকারে কেক বানানোর পদ্ধতি। চলুন, তাহলে দেরি না করে দেখি কি কি লাগছে তৈরি করতে।

উপকরণ

ময়দা ৩ কাপডিম ৪ টাকোকো পাউডার ৩ টেবিল চাবেকিং পাউডার ২ চাবেকিং সোডা ১ চা এর একটু বেশিলবন অল্প (ইচ্ছা না হলে বাদ দিতে পারেন )চিনি ২ কাপতেল ১ কাপগুড়াদুধ ৩ টেবিল চাভেনিলা এসেন্স ১ চালেবুর রস ২ টেবিল চা (ঐচ্ছিক)

প্রণালী

প্রথমে ডিমের সাদা অংশ আলাদা করে নিন কুসুম থেকে ,এবার সাদা অংশটি ভালো করে বিট করতে হবে। বিট মানে চামুচ দিয়ে ভালো ভাবে নাড়ান/ফেটে নেয়া অথবা বিটার মেশিন দিয়ে ফেটে নেয়া। ভালো মত বিট হবার পরে তাতে আলাদা করে রাখা কুসুম দিয়ে আবার ভালো ভাবে বিট করতে হবে। মিশ্রনেএবার চিনি মিশাতে হবে।

ময়দা,কোকো পাউডার,বেকিং পাউডার,বেকিং সোডা,গুড়া দুধ একসাথে মিশিয়ে মিক্সড ডিমের সাথে অল্প অল্প করে মিশাতে হবে, তার সাথে বিট করাটা যেন ভালো মত হয় খেয়াল রাখতে হবে ,কোনো পাউডার যেন জমে না থাকে। যদি এটা বেশি ঘন হয় তাহলে অল্প হালকা গরম পানি দিবেন অথবা গরম দুধ দিবেন, সব শেষে লেবুর রস আর ভেনিলা এসেন্স দিতে দিয়ে দিবেন।

এখন রাইস কুকারের পাত্রটি কে ভালো করে ধুয়ে শুকনো কাপড় দিয়ে মুছে নিন,এর মধ্যে পুরো মিশ্রণটি ঢেলে দিন ,ঢাকনা লাগান ,প্লাগ লাগান এবং সুইচ জালান।১ ঘন্টার মত লাগবে কেকটি হতে। তবে সুবিধার কথা হলো কেক টি হয়ে গেলে কুকার এমনি বন্ধ (অফ ) হয়ে যাবে।

এভাবেই বানানো হয়ে গেল ঝামেলা ছাড়া সহজ উপায়ে কেক। এবার নিজেরা চেষ্টা করে দেখুন আর সবাইকে খাইয়ে তাক লাগিয়ে দিন।

গরম কফি ভালো

‘সাইন্টিফিক রিপোর্টস’ নামক জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণার ফলাফলে জানানো হয়, ঠাণ্ডা ও কফির মধ্যে রাসায়নিক উপাদানজনীত তফাৎ রয়েছে। যার প্রভাব থাকতে পারে যিনি পান করছেন তার স্বাস্থ্যের উপর।

যুক্তরাষ্ট্রের ‘থমাস জেফার্সন ইউনিভার্সিটি’র রসায়ন ও প্রাণরসায়ন বিভাগের দুই অধ্যাপক নাইনি জি. রাও এবং মেগান ফুলার এই গবেষণার জন্য ইথোপিয়ান, ব্রাজিলিয়ান ও কলম্বিায়ান অল্প রোস্ট করা কফির গুঁড়া ব্যবহার করেন।

দেখা গেছে, গরম পানিতে ফুটিয়ে তৈরি করা কফিতে অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের মাত্রা বেশি থাকে যা এই পানীয়র কয়েকটি গুণের মধ্যে একটি।

বিভিন্ন কফি প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান এবং লাইফস্টাইল ব্লগে অনেকটা দালালি করে জানানো হয় ‘কোল্ড কফি’তে অম্লের পরিমাণ গরম কফির তুলনায় কম। তাই গরম কফি খাওয়ার কারণে বুক জ্বালাপোড়া কিংবা গ্যাসের সমস্যা হতে পারে।

তবে গবেষণায় দুই ধরনের কফিরই ‘পিএইচ’ বা অম্ল-ক্ষারের মাত্রা একই। পর্যবেক্ষণ করা সবগুলো কফিতেই এর মাত্রা ছিল ৪.৮৫ থেকে ৫.১৩।

তাপ ছাড়া দীর্ঘক্ষণ ভিজিয়ে রেখে তৈরি করা হয় কোল্ড কফি, যা বিগত কয়েক বছরে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। তবে গবেষকরা এই কোল্ড কফি নিয়ে কোনো গবেষণা খুঁজে পাননি। অপরদিকে গরম কফিতে যে স্বাস্থ্যগুণ আছে, যা ডায়বেটিস ও হতাশাগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি কমায়, সে বিষয়ে রয়েছে তথ্য সমৃদ্ধ গবেষণা।

গবেষকরা আরও বলেন, “দুই ধরনের কফির পিএইচের মাত্রা একই হলেও গরম কফিতে ‘টিট্রাটেবল’ অ্যাসিড বেশি থাকে। গরম কফিতে অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের মাত্রা বেশি হওয়ার সম্ভবত এটাই কারণ। কফিতে প্রচুর পরিমাণের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট পাওয়া যায়, তাই পরিমাণ মতো গ্রহন করলে তা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।”

‘গ্যাস্ট্রোইন্টেস্টাইনাল’ বা পাকস্থলী ও অন্ত্রের সমস্যা এড়াতে কোল্ড কফি বেছে নেওয়াকে নিরুৎসাহীত করেন গবেষকরা।

কফির গুণাগুণ

– কফিতে রয়েছে সুরক্ষাদানকারী উপাদান যা যকৃতকে বিভিন্ন সমস্যা থেকে বাঁচায়। ‘নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটিলিভার ডিজিজ’ থেকেও রক্ষা করতে সক্ষম কফি।

– যারা নিয়মিত কফি পান করেন তাদের হৃদযন্ত্রের স্বাভাবিক ছন্দজনীত সমস্যা কম হয়। স্ট্রোকের ঝুঁকিও কমে বলে দাবি করে কিছু গবেষণা।

– কফিতে থাকা ‘ক্যাফেইন’ মস্তিষ্ক প্রখর করে। ফলে মনোযোগ ও ক্ষিপ্রতা বাড়ে।

– গরম কালো কফি ওজন কমাতেও সহায়ক ভূমিকা পালন করে। কালো কফিতে ক্যালরি থাকে কম, ফলে শরীরচর্চার আগে এটি একটি উপকারী পানীয় হতে পারে। ক্ষুধাও নিয়ন্ত্রণ করে কফি। যোগান দেয় পর্যাপ্ত কর্মশক্তি।

আপনার মতামত