আন্তর্জাতিক

জানেন কি? পরকীয়ায় শীর্ষে রয়েছে যে দেশের নারীরা

পরকীয়ায় শীর্ষে রয়েছে- ভিক্টোরিয়া মিলান নামের একটি ডেটিং ওয়েবসাইট কর্তৃক বিবাহিত নারীদের উপর পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে পরকীয়ায় শীর্ষস্থান অধিকার করে আছে ব্রিটিশ নারীরা।

হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, গত বছরের গবেষণায় এ ক্ষেত্রে শীর্ষ স্থানে ছিল সুইডিস নারীরা। ভিক্টোরিয়া মিলান বিশ্ব নারী দিবসে তাদের ওই গবেষণা প্রকাশ করে।

প্রতিদিন চার হাজার নারীর উপর পরিচালিত ওই গবেষণায় দেখা গেছে, ৬৮ শতাংশ নারী পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ছে, কারণ তারা স্বামীর সঙ্গে যৌন সম্পর্কে সন্তুষ্ট নয়।

আর ৩২ শতাংশ নারী তাদের যৌন কামনা মেটানোর জন্য এক রাতের জন্য কাউকে বেছে নেয়। ৪৬ শতাংশ আরো কম সময়ের জন্য কাউকে খুঁজে নেয়। আর বাকি ২২ শতাংশের অবস্থা আরো খারাপ। তারা স্বামীর সঙ্গে থাকা অবস্থাতেই কারো সঙ্গে নিয়মিত যৌন কামনা মিটিয়ে থাকে।

ব্রিটিশ নারীদের পরই রয়েছেন সুইডিস নারীরা আর তারপরের স্থানে রয়েছে মার্কিন নারীরা। মার্কিন নারীদের ২২ শতাংশ শারীরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিবাহিত পুরুষদের প্রাধান্য দেয়।

আর আয়ারল্যান্ডের নারীদের ৪৬ শতাংশ চায় কেউ তাকে এক রাতের জন্য তৃপ্ত করুক। ফিনল্যান্ডের নারীরা দিনে অন্তত ২ ঘণ্টা অনলাইনে ব্যয় করেন প্রেমিক সন্ধানের ক্ষেত্রে।

বেলজিয়ামের নারীদের ২৭ শতাংশ তাদের প্রেমিকের স্থানে কোনো বিদেশিকে পেতে নিরাপদ বোধ করে। আর স্পেনের নারীদের ৩৪ শতাংশ পরকীয়ার ক্ষেত্রে তাদের চেয়ে বয়স্ক কাউকে খুঁজে থাকে।

নিয়মিত লেবুর খোসা খেলে কত উপকার পাওয়া যায় জানেন?

অনেকেই সকালে উঠে জলে পাতিলেবু চিপে নিয়ে সেই জল খান ৷ এই অভ্যাস খুবই ভালো ৷ আবার ডালের সঙ্গে লেবু চিপে খাওয়া ব্যাপারটা কিন্তু ভোজন রসিকদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ ৷ কিন্তু এই লেবু তো খাচ্ছেন৷ তবে জানেন? লেবুর খোসারও গুণ অনেক ৷ পড়ুন…

লেবুর খোসায় থাকা সাইট্রাস বায়ো-ফ্লেভোনয়েড শরীরের ভেতরে যাওয়ার পরপরই অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমতে শুরু করে। ফলে সার্বিকভাবে মন, মস্তিষ্ক ও শরীর একদম চাঙ্গা হয়ে ওঠে। তো যখনই দেখবেন শরীর আর চলছে না, তখন অল্প করে লেবুর খোসা চটজলদি খেয়ে ফেলবেন। দেখবেন উপকার পাবেন দ্রুত।

‘পেকটিন’ নামক একটি উপাদান প্রচুর মাত্রায় থাকায় ওজন কমার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়। কারণ এই উপাদানটি শরীরে উপস্থিত অতিরিক্ত চর্বিকে ঝরিয়ে ফেলতে বিশেষ ভাবে সাহায্য করে।

লেবুর খোসায় উপস্থিত ‘স্য়ালভেসস্ট্রল কিউ ৪০’ ও ‘লিমোনেন্স’ নামে দুইটি উপাদান ক্যান্সার সেলের ধ্বংসে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ফলে নিয়মিত লেবুর খোসা খেলে শরীরের ভেতরে ক্যান্সার সেলের জন্ম নেওয়ার কোনও সম্ভাবনাই থাকে না। এখানেই শেষ নয়। লেবুর খোসা খাওয়া মাত্র ব্যাকটেরিয়াল এবং ফাঙ্গাল ইনফেকশনে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও হ্রাস পায়।

ভিটামিন সি এর ঘাটতি হলে মুখ গহ্বর সংক্রান্ত একাধিক রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পায়। তাই তো নিয়মিত লেবুর খোসা খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ এতে উপস্থিত ভিটামিন সি এবং সাইট্রিক অ্যাসিড মাড়ি থেকে রক্ত পড়া, জিঞ্জিভাইটিস সহ একাধিক রোগের প্রকোপ কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন সি এবং ক্যালসিয়াম থাকায় লেবুর খোসা খেলে ধীরে ধীরে হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি হতে শুরু করে। সেই সঙ্গে ইনফ্লেমেটরি পলিআর্থ্রাইটিস, অস্টিওপরোসিস এবং রিউমাটয়েড আথ্রাইটিসের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও হ্রাস পায়।

লেবুর খোসায় আছে ‘পলিফেনল’ নামে একটি উপাদান। যা শরীরে খারাপ কোলেস্টরলের মাত্রা কমায়। অন্যদিকে লেবুর পটাশিয়াম ব্লাড প্রেসারকে নিয়ন্ত্রণে রাখে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে। তাই তো যাদের পরিবারে কোলেস্টেরল, উচ্চ রক্তচাপ এবং হৃদরোগের ইতিহাস রয়েছে তাদের ডায়েটে লেবুর খোসা মাস্ট।

স্বাস্থ্য সচেতন মানুষের ডায়েটে স্যালাড ও সেদ্ধ সবজি থাকে। তাতে একটু লেবুর খোসা কুচি করে দিলে খাবারে লেবুর সুঘ্রাণ পাওয়া যায়। খাবারের স্বাদও বাড়বে।

১০০ টাকায় মিলছে ১ কেজি ইলিশ

চলতি মাসের ৭ তারিখ থেকে ২৮ তারিখ পর্যন্ত মোট ২২ দিনের জন্য দেশের ৩৭ জেলার ৭ হাজার কিলোমিটার নদীতে মাছ ধরা বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। এই ২২ দিন ইলিশ মাছ ধরা, বিক্রি করা, বাজারজাত করা, মজুত রাখাসহ সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

ইলিশের মা মাছ রক্ষা এবং ডিম ছাড়ার সুযোগ দিতেই প্রতিবছর এই সময়ে ইলিশ ধরা বন্ধ রাখা হয়। অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছরও এই সময় ১৫ দিন থেকে বাড়িয়ে ২২ দিন করা হয়েছে।

কিন্তু সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মুন্সীগঞ্জে ইলিশ ধরা ও বিক্রি দুটোই চলছে সমানতালে। জেলার পদ্মা ও মেঘনা নদীতে ইলিশ ধরা রীতিমত উৎসবে পরিণত হয়েছে। আবার নদীর তীরেই বসছে ইলিশের হাট। সেখানে ইলিশ কেনাবেচার ধুম পড়েছে। এমনকি মাত্র ১০০ থেকে ১৫০ টাকায় মিলছে এক কেজি ইলিশ।

মেঘনা ও পদ্মা তীরবর্তী এলাকায় ইলিশ বিক্রির ধুম পড়েছে। নানা কৌশলে বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিক্রি করা হচ্ছে ইলিশ। বাজারে না মিললেও ক্রেতার হাতে ঠিকই পৌঁছে দেয়া হচ্ছে ইলিশ।

মুন্সীগঞ্জের পদ্মানদী বেষ্টিত লৌহজং উপজেলার পথে ঘাটে ও বাড়ি বাড়ি দেদারছে ইলিশ বিক্রি হচ্ছে। বৃহস্পতিবার উপজেলার উত্তর হলদিয়া গ্রামে বস্তাভর্তি করে এক কিশোরের ইলিশ বিক্রি করার চিত্র সবার নজরে পড়ে। ওই গ্রামের এক গৃহবধূ মাত্র ৫০০ টাকায় ৫ কেজি পরিমাণ ২৩টি ছোট-বড় ইলিশ কেনেন ওই কিশোরের কাছ থেকে।

এছাড়া বোরকা পরিহিত অবস্থায় নারীরা ট্রাভেল ব্যাগে করে ইলিশ বিক্রি করছেন এমন চিত্রও দেখা গেছে সেখানে।

জানা গেছে, দিনে অভিযান পরিচালনার কারণে রাতে লৌহজংয়ে পদ্মা নদী হয়ে পড়ছে অরক্ষিত। ফলে অসাধু জেলেরা হয়ে উঠছে বেপরোয়া। এ সুযোগে তারা অবাধে ও নির্ভয়ে ইলিশ শিকার করছে।

এদিকে জেলা সদরের চরাঞ্চল আধারা ইউনিয়নের চরআব্দুল্লাহ, কালীরচর ও বকচর গ্রাম সংলগ্ন মেঘনা নদীতে ইলিশ ধরা কিছুতেই থামছে না। প্রতিদিন শত শত কেজি মা ইলিশ ধরছেন সেখানকার জেলেরা।

মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার চরাঞ্চল বকচর গ্রাম সংলগ্ন মেঘনা নদীর তীরেই বসছে ইলিশের হাট। মেঘনা তীরের অঘোষিত ওই হাটে প্রতিদিন ছুটে যাচ্ছেন পাইকার ও খুচরা মৎস বিক্রেতারা। নদীর তীরেই কেনাবেচা হচ্ছে এসব ইলিশ। এসব অস্থায়ী হাটগুলোতে রীতিমত আড়ত খুলে ইলিশ কেনাবেচা হচ্ছে।

সরজমিনে গিয়ে শুক্রবার জেলা সদরের চরাঞ্চল আধারা ইউনিয়নের বকচর গ্রাম সংলগ্ন মেঘনা নদীর তীরে ইলিশ কেনাবেচার এ হাটের চিত্র দেখা গেছে। জানা গেছে- আধারা ইউনিয়নের চরআব্দুল্লাহ, কালীরচর ও বকচর গ্রাম সংলগ্ন মেঘনা নদীতে প্রতিনিয়ত ইলিশ ধরা হচ্ছে। ইলিশ শিকারে এখানে ২০০ জেলে সক্রিয় রয়েছে।

তবে প্রজনন মৌসুমে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মুন্সীগঞ্জের পদ্মানদীতে মা ইলিশ ধরার দায়ে গত বুধবার (১০ অক্টোবর) ২২ জেলের ২০ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় অভিযান চালিয়ে তাদের কাছ থেকে ৫০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ও ১০০ কেজি মা ইলিশ জব্দ করা হয়েছে।

অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফারাশিদ বিন এনাম ও সুবীর কুমার দাশ। ওই কর্মকর্তারা জানান, মা ইলিশ রক্ষার্থে পদ্মানদীতে এই মৌসুমে প্রতিনিয়তই অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

বিভিন্ন সময় মাছ ও জালসহ জেলেদের আটক করে জরিমানা কিংবা কারাদণ্ড প্রদান করা হচ্ছে। তবে অনেক সময় আমাদের অভিযানের আগাম বার্তা পেয়ে সটকে পড়ে ধূর্ত জেলেরা। কিন্তু প্রজনন মৌসুমে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত