পরামর্শ

গবেষণা বলছে, মাথাব্যথার অন্যতম ওষুধ মেলামেশা

মাথাব্যথার অন্যতম ওষুধ- মাইগ্রেনের যন্ত্রণায় অনেকেই অতিষ্ঠ। মাইগ্রেন হলো এক বিশেষ ধরনের মাথাব্যথা যা মাথার যে কোন এক পাশ থেকে শুরু হয়ে অনেক সময় পুরো মাথায় ছড়িয়ে পড়ে। মস্তিষ্কে স্বাভাবিক রক্তপ্রবাহ ব্যাহত হয়।

মাথাব্যথার সঙ্গে বমি বমি ভাব এবং রোগীর দৃষ্টিবিভ্রম হতে পারে। তবে এই সমস্যার সমাধান দিয়েছেন গবেষকরা। তারা জানিয়েছেন, মাইগ্রেনের অন্যতম দাওয়াই হলো সহবাস।

বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, মাইগ্রেন সমস্যা থেকে মুক্তির অন্যতম উপায় হচ্ছে শারীরিক সম্পর্ক। সেফালালজিয়া জার্নালে প্রকাশিত গবেষণায় গবেষকরা বলছেন, শারীরিক সম্পর্কে মিলিত হলে প্রায় এক তৃতীয়াংশ রোগী মাইগ্রেন এবং ক্লাস্টার হেডএইক থেকে মুক্তি পেতে পারেন। এমনকি বেশ কয়েকজন রোগীও জানিয়েছেন যে মাইগ্রেনের সমস্যায় তাদের অন্যতম ওষুধ হলো সহবাস।

শারীরিক সম্পর্কের সময় ইনড্রোফিনস নামক হরমোন নির্গত হয়, যাকে প্রাকৃতিক ব্যথানাশক বলা হয়ে থাকে। এই হরমোন আংশিক কিংবা পুরোপুরি মাথা ব্যথা সাড়াতে সক্ষম বলে গবেষকরা জানিয়েছেন।

গবেষক ও জার্মানির ইউনিভার্সিটি অব মানস্টার এর নিউরোলজিস্ট স্টিফান এভারস বলেন, ‘এক তৃতীয়াংশ রোগী জানিয়েছেন যে তারা সেক্সুয়াল অ্যাকটিভিটির মাধ্যমে মাইগ্রেন অ্যাটাক থেকে মুক্তি পেয়েছেন।

গবেষকরা বলছেন, সেক্সুয়াল অ্যাকটিভিটির ফলে এনডরফিন উৎপন্ন হয় যা মস্তিষ্কে ন্যাচারাল পেইন কিলার হিসেবে কাজ করে। গবেষণাটি ৮০০ রোগীর উপর চালানো হয়েছে যাদের মাইগ্রেন আছে এবং ২০০ জনের উপর যাদের ক্লাস্টার হেডএইক আছে। সেক্সুয়াল অ্যাকটিভিটি কীভাবে তাদের মাথা ব্যথার প্রকোপ কমিয়েছে সেটা তারা জরিপে জানিয়েছে।

এতে দেখা গেছে প্রতি ১০ জনে অন্তত ৪ জন জানিয়েছে, সেক্সুয়াল অ্যাকটিভিটি তাদের মাথা ব্যথা কমিয়ে দেয়। ৬০ শতাংশ জানিয়েছে, তাদের মাথা ব্যথা পুরোপুরি অথবা কিছুটা কমে। তবে এক কিছু মানুষ জানায়, সেক্সুয়াল অ্যাকটিভিটি তাদের মাথা ব্যথা কমানোর বদলে উল্টো বাড়িয়ে দিয়েছে। লাইভ সাইন্স।

শীতের দিনে যে ৫টি আয়ুর্বেদিক খাবার আপনাকে সম্পূর্ণ সুস্থ রাখবে

শীতের সময়েই অসুস্থ হয় বেশির ভাগ মানুষ। ঋতু পরিবর্তন মানেই সর্দি-কাশি-জ্বর। এর জন্য ঔষুধ থাকলেও, এখানে দেওয়া হল ৫টি আয়ুর্বেদিক বস্তুর নাম যা ভিতর থেকে শরীরের প্রতিরোধ শক্তি বাড়ায়।

আমলকি : এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে। আমলকি এমনি খেতেই বেশ ভালো লাগে। অনেকে জুস করেও খায়। তবে, শীতকালে জুস না খাওয়াই ভালো।

ঘি : শুধু গরম ভাতেই নয়, শীতের নানা খাবার তৈরি করতেও ঘি ব্যবহার করা হয়। ঘি খেলে ‘ইনস্ট্যান্ট’ হিট ও এনার্জি পাওয়া যায়।

গুড় : আয়রন, জিঙ্ক ও সেলেনিয়মের মতো নানা মিনারেলের পাশাপাশি এতে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এতে শরীর গরম থাকে। কাশি হওয়া থেকে বাঁচায়।

তিল : আয়ুর্বেদ মতে, শীতকালে তিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ এক বস্ত যা শরীরকে ভিতর থেকে গরম রাখে। প্রতিরোধ শক্তিও বৃদ্ধি করে।

হলুদ : এতে রয়েছে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টি-ভাইরাল ও অ্যান্টি-ফাঙ্গাল গুণ। এক গ্লাস গরম দুধের সঙ্গে এক চা-চামচ হলুদ গুঁড়ো মিশিয়ে রোজ তা খেলে, ফ্লু-সর্দি-জ্বরের গাত থেকে রেহাই পাওয়া যায়।

ভিটামিন সি : শীতকালীন যে কোনো ফল ও সবজি যাতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি।

পানি : শীতকালে পানি খাওয়া কমে যায়। সচেতনভাবে পানি খান। এর ফলে শরীর হাইড্রেট থাকে। সুযোগ থাকলে পানিতে এক টুকরো লেবু মিশিয়ে নিন।

চোখের নিচের কালো দাগ দূর করার সহজ ১০ উপায়

চোখের নিচে কালি পরলে নষ্ট হয় মুখের স্বাভাবিক সৌন্দর্য। পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব, স্ট্রেস, জীবনযাপনের সমস্যা ইত্যাদি হাজারো কারণে এই ডার্ক সার্কেল তৈরি হয়। তবে হাতের কাছেই রয়েছে এর থেকে মুক্তির দাওয়াই।

চলুন জেনে নেয়া যাক-

১. টমেটো ও লেবুর রসের মিশ্রণ চোখের তলায় দিয়ে রাখুন। দশ মিনিট এই মিশ্রণ লাগিয়ে রাখলেই মিলবে মুক্তি।

২. আলুর রসে ভিজিয়ে নিন তুলোর বল। তারপর চোখের চারদিকে বুলিয়ে নিন এই বল। দশ মিনিট রেখে ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে নিন।

৩. ফ্রিজে রাখা ঠান্ডা গ্রিন টি-এর ব্যাগে চোখ বোলালেও মিলবে ফল।

৪. আমন্ড ওয়েল চোখের ডার্ক সার্কেলে বোলাতে হবে। সারারাত রেখে দিয়ে পরদিন সকালে ধুয়ে ফেললে মিলবে ফল।

৫. চোখের নিচে কালি দূর করতে ঠান্ডা দুধের বিকল্প নেই। তুলোর বলে ঠান্ডা দুধ লাগিয়ে তা ডার্ক সার্কেলে ব্যবহার করুন।

৬. যোগ বা মেডিটেশনও ভালো কাজ করে।

৭. ঠান্ডা শসা দশ মিনিট লাগিয়ে রাখলে ফল মিলবে।

৮. পুদিনা পাতা চোখের তলায় কালি দূর করতে পারে। এক সপ্তাহ পুদিনা পাতা বাটা ব্যবহারেই মিলবে ফল। সারারাত এই মিশ্রণ চোখে লাগিয়ে রাখতে হবে।

৯. গোলাপ জল চোখের কালি দূর করার জন্য ভালো। ১৫ মিনিট রেখেই ধুয়ে ফেলতে হবে।

১০. বাটারমিল্কে হলুদ মিশিয়ে চোখে এই মিশ্রণ রেখে দিতে হবে পনেরো মিনিট। তার পরেই ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলতে হবে।

আপনার মতামত