খেলাধুলা

মুস্তাফিজ-বুমরার সেই ১৮-১৯তম ওভার

মুস্তাফিজ-বুমরার – টানটান উত্তেজনার এক ম্যাচ। পরদে পরদে রোমাঞ্চ। ম্যাচের শেষ তিন ওভারে সানরাইজার্সের প্রয়োজন ১৮ বলে ১৫ রান। ম্যাচটা তো সানরাইজার্সই জিতবে তাই না। আর খেলাটা যখন টি২০ তখন তো এ নিয়ে কোনো সংশয়ই নেই। তবে হ্যাঁ, জিতেছে সানরাইজার্সই। কিন্তু অনেক নাটকের পর। আর সেই নাটকের মূল নায়ক মুস্তাফিজ-বুমরা।

ছিলাম ১৮ বলে ১৫ রানে। তখন ক্রিজে ছিলেন সেট হওয়া ব্যাটসম্যান ইউসুফ পাঠান আর দীপক হুদা। কোনো বড় শট না খেলে শুধু সিঙ্গেলস নিচ্ছিলেন। কিন্তু ১৮তম ওভারে এলেন জাসপ্রিত বুমরা।

প্রথম দুই বলে সিঙ্গেলসে দুই রান নিল পাঠান এবং হুদা। তৃতীয় বলে বুমরাহকে মারতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দিলেন ইউসুফ পাঠান। আর বিপর্যয়ের শুরু এখানেই। পরের বলেই ফেরালেন রশিদ খানকে। হ্যাটট্রিকের সুযোগ। কিন্তু হলো না। শেষ বলে এক রানব দিইয়ে শেষ করলেন ওভার। এক ওভারে ৩ রান দিয়ে ২ উইকেট নিয়ে খেলা ঘুরিয়ে দিয়েছিলেন বুমরাহ।

১৯তম ওভারে এলেন কার্টার মাস্টার মুস্তাফিজ। প্রথম বলে দীপক হুদা নিলেন ১ রান। এরপর ৫টি বল টানা ডট। সঙ্গে দুই উইকেট। সিদ্বার্থের উইকেট তো নিজেই রিটার্ন ক্যাচ নিয়েছেন। আর এক বল বিরতি দিয়ে ফেরালেন সন্দিপ শার্মাকে। এক ওভারে এক রানে দুই উইকেট।

যেই মোস্তাফিজ প্রথমে স্পেলে দুই ওভারে ২০ রান দিয়েছিলেন, সেই তিনিই ডেথ ওভারের স্পেলে গিয়ে দিলেন মাত্র ৪ রান। মূলত খেলাটা তো এখানেই ঘুরে যায়। আর এজনই তো ডেথ ওভারে অন্যতম সেরা মুস্তাফিজ।

যদি শেষ ওভারের অভিশাপ থেকে মুক্ত হতে পারতো মুম্বাই তাহলে হয়তো জয়ের মালা মুস্তাফিজের গলাতেই উঠত। সেই সঙ্গে বিফলেও যেত না মুস্তাফিজ-বুমরার দুই ম্যাজিকাল ওভার।