চিত্র বিচিত্র

লম্বা স্বামী-বেটে স্ত্রী’রা যে কারণে দাম্পত্য জীবনে সবচেয়ে সুখী হয়

লম্বা স্বামী-বেটে স্ত্রী’- লম্বা স্বামী ও বেটে স্ত্রীদের সম্পর্ক ও সংসার জীবন সবচেয়ে বেশি সুখের হয় বলে দাবি করেছেন গবেষকরা। তাদের দাবি, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে উচ্চতার পার্থক্য যত বেশি হয়, সম্পর্ক ততই মজবুত ও সুখের হয়। এছাড়া তাদের মধ্যে যৌনসম্পর্কও খুবই গভীর হয় বলে দাবি করেছেন গবেষকরা।

পারসোনালিটি অ্যান্ড ইন্ডিভিজুয়াল ডিফারেন্সেস জার্নালে প্রকাশিত ওই গবেষণায় দাবি করা হয়, নারীরা সাধারণত লম্বা পুরুষদের প্রতি আকৃষ্ট হলেও লম্বা পুরুষরা তাদের বেশি সুখী করতে পারেন বলে কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে উচ্চতার পার্থক্য যত বেশি হয়, দাম্পত্য জীবন ততই সুখের হয় -এমন প্রমাণ মিলেছে গবেষণায়।

যদিও গবেষণাটি প্রকাশিত হওয়ার পর মিশ্র প্রতিক্রিয়া আসতে থাকে সোশ্যাল মিডিয়ায়। কেউ কেউ লিখেছেন, নিজেকে মানানসই দেখাতে বা সুখী হতে নয়, লম্বা সন্তান পেতেই বেশি উচ্চতার পুরুষদের দিকে ঝোঁকেন নারীরা।

‘কম বয়সী ছেলেদের স্বাদটাই ভিন্ন’

ওপার বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। বিকল্প ধারার ছবিতে তার অনবদ্য অভিনয়ের ভক্ত অনেক। রূপের আবেদনের পাশাপাশি চরিত্রকে নিজের মধ্যে ধারণ করে সেটা ফুটিয়ে তুলতে শ্রীলেখা বরাবরই পটু।

সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে তার নতুন সিনেমা ‘রেনবো জেলি’। এই ছবির প্রসঙ্গেই এক সাক্ষাৎকারে তিনি কথা বলেছেন ব্যক্তিগত বিভিন্ন বিষয়ে।

কিছু দিন ধরেই গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে যে, শ্রীলেখা নতুন করে সম্পর্কে জড়িয়েছেন। তবে সেটা কার সঙ্গে, তা স্পষ্ট নয়। এবার শ্রীলেখা নিজেই স্বীকার করলেন তার নতুন সম্পর্কের কথা।

তিনি বলেন, সত্য-মিথ্যা জানি না। তবে আমার থেকে বয়সে ছোট এক বিশেষ বন্ধু আছে। ওর সঙ্গে কাজও করছি কিন্তু মাঝেমধ্যেই ওকে ফোন থেকে বা জীবন থেকেও ব্লক করে দিই!

শ্রীলেখা আরো বলেন, ওর সঙ্গে যখন ঘনিষ্ঠ হই, তখন আমার স্পেস প্রব্লেম হয়। বিয়ে তো করব না, এটা কনফার্ম। প্রথম থেকেই জানি, এ সম্পর্কের কোনো ভবিষ্যৎ নেই। তবে একটা মায়া আছে, ভালবাসা আছে। কিন্তু ২০ বা ৩০ বছর বয়সে যেটা ছিল সেই প্রেম এখন আর নেই। তবে ছেলে বন্ধু কম বয়সী হলে স্বাদটা একটু ভিন্ন হয়।

নতুন এই প্রেমিক সম্পর্কে শ্রীলেখা আরো বলেন, ওর বয়সটা কম, ইমোশন অনেক বেশি। ওর ব্যাপারটা অনেক বেশি প্রকট, বয়সের কারণে। ওই বয়সে আমার এক্স হাজব্যান্ডের জন্য যে আকুতিটা ছিল সেটা সে আমার মতো করে রেসিপ্রোকেট করতে পারত না।

ঠিক একই ভাবে আমি এখন ওর সেই আকুতিটা হয়তো রেসিপ্রোকেট করতে পারি না। এটা একটা অদ্ভুত ভিসিয়াস সার্কেল। আসলে প্রেম বিষয়টাই এখন ইলিউশন আমার কাছে।

মেয়ে নিশার সাথে দীপাবলির আনন্দে মাতলেন সানি

প্রতি বছরের মত এবারের দিপাবলিতে বলিউডে ধুমধাম করে চলছে সেলিব্রেশন। শাহরুখ থেকে শুরু করে বলিউডের কমবেশি অনেক তারকাই বাড়িতে দিপাবলি পার্টির আয়োজন করেন। এবার দিপাবলির সেবিব্রেশনে বাদ পড়লেন না সানি লিওন। তবে তাঁর দিপাবলির সেলিব্রেশনটা ছিল একটু অন্যরকম। সবটাই মেয়ে নিশা কৌর ওয়েবারকে ঘিরে।

এর আগে সানি লিওনকে মেয়ে নিশার সঙ্গে গণেশ চতুর্থী সেলিব্রেট করতে দেখা যায়। এবার সানির দিপাবলি সেলিব্রেশনটা ছিল পুরোটাই মেয়ের জন্য। নিশার স্কুলে হাজির হয়েছিলেন সানি নিজে। নিশার স্কুলেই হবে দিওয়ালির সেলিব্রেশন।

তাই সেখানে গিয়ে মেয়ে নিশাকে ‘তোরণ’ বানাতে সাহায্য করলেন সানি। মোট ৫৫টি তোরণ বানানো হল। যা দিয়ে সাজিয়ে তোলা হবে নিশার স্কুল। নিশার স্কুলে সেই তোরণ বানানোর ছবি সোশ্যাল সাইটে পোস্ট করেছেন সানি। সানি লিখেছেন, ” আমি প্রথমে ভেবেছিলাম ১টি তোরণ বানাতে হবে, পরে দেখলাম মোট ৫৫টি। যাক আশাকরি এই কাজগুলি ছোটদের বেশ ভালো লেগেছে। ”

প্রসঙ্গত দত্তক নিলেও নিশা সানি লিওনের ভীষণ আদরে। নিশা তাঁর কাছে সূর্যলোকের মত, ঈশ্বরের দেওয়া উপহারের মত বলে জানিয়েছেন সানি। জন্মদিনে নিশার উদ্দেশ্যে লিখেছিলেন, ” আমার ছোট্ট পরী, জন্মদিনের অনেক শুভেচ্ছা।

তুমি আমার কাছে সূর্যালোকের মতো। তুমি হয়ত জানো না যে আমি তোমায় কতটা ভালোবাসি। তোমাকে যেন কেউ কখনও আমার কাছ থেকে সরিয়ে না নিয়ে যেতে পারে। ”

কিছুদিন আগেও নিশার ৩ বছরের জন্মদিন সেলিব্রেট করতে তাকে মেক্সিকোর সমুদ্রতটে বেড়াতে নিয়ে গিয়েছিলেন। সেই ছবিও সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট করেন সানি ও ড্যানিয়েল।

প্রসঙ্গত নিশা ছাড়াও সানি সারোগেসির মাধ্যমে দুই পুত্র সন্তান আশের সিং ওয়েবার ও নোয়া সিং ওয়েবারের মা হয়েছেন। তাই আপাতত আশের, নোয়া ও নিশাকে নিয়ে সানি ও ড্যানিয়েলের সুখের সংসার।

আপনাদের মা বাবা ভাই বোন কারো যদি ডায়াবেটিস থাকে তবে এই পোস্টটি পড়ুন

ঢেঁড়শ (অন্য নাম ভেন্ডি) মালভেসি পরিবারের এক প্রকারের সপুষ্পক উদ্ভিদ (tree)। এটি তুলা, কোকো ও হিবিস্কাসের সাথে সম্পর্কিত। ঢেঁড়শ গাছের কাঁচা ফলকে সবজি হিসাবে খাওয়া হয়। ঢেঁড়শের বৈজ্ঞানিক নাম Abelmoschus esculentus; অথবা Hibiscus esculentus L।ঢেঁড়শ গাছ একটি বর্ষজীবী উদ্ভিদ, যা ২ মিটার পর্যন্ত লম্বা (long) হয়।

এর পাতা ১০-২০ সেমি দীর্ঘ এবং চওড়া। পাতায় ৫-৭টি অংশ থাকে। ফুল হয় ৪-৮ সেমি চওড়া, পাঁপড়ির রঙ সাদাটে হলুদ, ৫টি পাঁপড়ি থাকে। প্রতিটি পাঁপড়ির কেন্দ্রে লাল বা গোলাপী বিন্দু থাকে। ঢেঁড়শ ফল ক্যাপসুল আকারের, প্রায় ১৮ সেমি দীর্ঘ, এবং এর ভেতরে অসংখ্য বিচি থাকে।

ঢেড়শকে ইংরেজিতে বলা হয় ওকরা (Okra)। আমেরিকার বাইরের ইংরেজিভাষী স্থানে এটি লেডিজ ফিঙ্গার (Lady’s Fingers) নামেও পরিচিত ,। কোনো কোনো স্থানে, যেমন আমেরিকার কিছু অংশ এবং ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জে এটি গাম্বো (gumbo) নামেও খ্যাত, যা এসেছে এর পর্তুগিজ নাম “quingombo,” থেকে, যার আদি উৎস হলো পূর্ব আফ্রিকীয় শব্দ “quillobo,”

ওকরা নামটি পশ্চিম আফ্রিকা থেকে এসেছে।[৩] আফ্রিকার বান্টু ভাষায় এটাকে বলা হয় কিঙ্গুম্বো। আরবি ভাষায় এর নাম বামিয়া । দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে এটিকে ভেন্ডি বা ভিন্ডি বলা হয়।Okra flower bud and immature seed pod

ঢেঁড়শের আদি নিবাস ইথিওপিয়ার উচ্চভূমি এলাকায়। সেখান থেকে কীভাবে এটি অন্যত্র ছড়িয়ে যায়, তা জানা যায় না। মিশরীয় ও মূর জাতির বিভিন্ন রচনায় ১২শ ও ১৩শ শতকে আরবি ভাষায় ঢেঁড়শের কথা উল্লেখ রয়েছে। এতে ধারণা করা যায় যে, প্রাচ্য হতেই এটি সেখানে এসেছে।

সম্ভবত ইথিওপিয়া হতে লোহিত সাগর বা আরব উপদ্বীপের নিকটবর্তী বাব-আল-মান্দিব প্রণালী পেরিয়ে এটি আরবে ও পরে ইউরোপে যায়। ১২১৬ সালে এক স্পেনীয় মূর জাতির ব্যক্তির লেখায় এর উল্লেখ রয়েছে। মিশর ভ্রমণকালে এই মূর তার রচনায় উল্লেখ করেন, স্থানীয় ব্যক্তিরা ঢেঁড়শের ফল আটার সাথে মিশিয়ে খেতো

আপনাদের মা, বাবা, ভাই,বোন, কারো ডায়াবেটিস যদি থাকে তাদের জন্য এই পরামর্শ। ৩/৪ দিন খালি পেটে খাবেন তিনটি ঢেঁড়স মাথা কেটে রাতে ১গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে রাখবেন সকালে খালি পেটে পানি টুকু খাবেন। তারপর ডায়াবেটিস মেপে দেখবেন।

আপনার মতামত