চিত্র বিচিত্র

জলপাইয়ের লোভনীয় বার্মিজ আচার, যেভাবে বানাবেন

লোভনীয় বার্মিজ আচার- আঁচার খুবই লোভনীয় একটি খাবার। আর টক ঝাল জলপাইয়ের আচারের লোভ সামলানোতো বেশ মুশকিল! জলপাইয়ের বিভিন্ন পদের আচার তৈরির রেসিপি রয়েছে।

তবে আজ জেনে নিন জলপাইয়ের বার্মিজ আচার তৈরি প্রণালী-

উপকরণ: জলপাই আধা কেজি, সরিষার তেল আধা কাপ, রসুন বাটা ১ চা চামচ, সাদা সরিষা বাটা ২ টেবিল চামচ, হলুদের গুঁড়ো আধা চা চামচ, মরিচের গুঁড়ো ১ চা চামচ, পাঁচ ফোঁড়ন গুঁড়ো ১ চা চামচ, ভাজা জিরার গুঁড়ো ১ চা চামচ, লবণ স্বাদমতো, বিট লবণ ১ চা চামচ, চিনি ১ কাপ, সিরকা কোয়ার্টার কাপ।

প্রণালী: বার্মিজ আচার তৈরির জন্য প্রথমে জলপাইগুলো সেদ্ধ করে নিতে হবে। জলপাইগুলো ঠান্ডা হলে হাত দিয়ে চটকে ভেতরের বীজ বের করে নিতে হবে। এছাড়াও পানি না দিয়ে ব্লেন্ড করে অথবা পাটায় পিষে নিলেও হবে।

এবার প্যানে সরিষার তেল গরম করে রসুন ও সাদা সরিষা বাটা দিয়ে দিতে হবে। এগুলো বাটার সময় পানির পরিবর্তে সিরকা দিয়ে বেটে নিলে ভালো হবে। এবার চটকানো জলপাইগুলো দিয়ে হলুদ ও মরিচ গুঁড়ো, চিনি এক কাপ পরিমাণ, বিট লবণ, লবণ স্বাদমতো ও সিরকা কোয়ার্টার কাপের মতো দিয়ে ভালোভাবে নাড়তে হবে।

এভাবে কিছুক্ষণ জ্বাল দিতে হবে। চিনি ও সিরকা থেকে পানি বের হবে তাই আচার অনবরত নাড়তে হবে। যখন আচারের রঙ হালকা ব্রাউন কালার হয়ে আসবে তখন পাঁচ ফোঁড়নের গুঁড়ো ও ভাজা জিরার গুঁড়ো দিয়ে নেড়ে চেড়ে পাঁচ মিনিট জ্বাল দিয়ে নামিয়ে নিতে হবে।

এবার হাতে সরিষার তেল মাখিয়ে আচার দিয়ে ছোট ছোট গোল বলের মতো বানিয়ে নিতে হবে। তবেই তৈরি হয়ে যাবে মজাদার জলপাইয়ের বার্মিজ আচার।

লবঙ্গ খান আর আপনার হাঁপানিকে টাটা বলুন

হাঁপানির জ্বালায় আপনার নাজেহাল অবস্থা তো? টেনশন করবেন না। এবার লবঙ্গ খান আর আপনার হাঁপানিকে টাটা বলুন। দেখবেন গোটা দিনটা কেমন আনন্দে কাটছে!

জানি, রোজ রাতে খাবার পর লবঙ্গ খেতে আপনার বেশ ভালোই লাগে। আর মশলাদার রান্নায় লবঙ্গ গোটা গরম মশলার সঙ্গে ফোড়ন দিলে তো কেয়া বাত! কিন্তু, আপনি যে দীর্ঘদিন হাঁপানির সমস্যায় ভুগছেন, তাতে কি লবঙ্গ ব্যবহার করার কথা ভেবেছেন? জানি, ভাবেন নি। তাই আজ আপনাদের লবঙ্গ দিয়ে কীভাবে হাঁপানি দূর করা যায়, সেটাই বলবো।

১. মধুর সঙ্গে লবঙ্গ

এটা কিন্তু আপনার হাঁপানির রোগে বেশ কার্যকরী। লবঙ্গে ২০%-২৫% ক্লোভ তেল আর ১০%-১৫% টাইটার পেনিক অ্যাসিড থাকে। তাই এটা খুব ঝাঁজালো হয় আর তাই হাঁপানির জন্য এটা এত উপকারী।

মধুর সঙ্গে লবঙ্গ

উপকরণ

৫/৬ টা লবঙ্গ, ১ টেবিল চামচ মধু।

পদ্ধতি

এক গ্লাস পানিতে লবঙ্গ দিয়ে ভালো ভাবে ফুটিয়ে নিন। এবার ওই পানিতে মধু দিন আর খান। এই পানি দিনে দুই থেকে তিনবার ব্যবহার করলেই খুব তাড়াতাড়ি হাঁপানির সমস্যা থেকে আপনি রেহাই পাবেন।

২. লবঙ্গের গুঁড়ো
হাঁপানির সমস্যা সঙ্গে সঙ্গে দূর করতে পারে এই গুঁড়ো।

উপকরণ

১০/১২ টা লবঙ্গ।

পদ্ধতি

লবঙ্গ নিয়ে সেটা ভালো করে গুঁড়ো করতে হবে। এবার এই গুঁড়োটা একটা সুতির কাপড়ের মধ্যে নিয়ে নাকের কাছে এনে ঘ্রাণ নিন। দেখবেন উপকার পাচ্ছেন।

লবঙ্গ আর গোলমরিচের বড়ি
এই বড়ি আপনার হাঁপানির সমস্যাকে কয়েকদিনের মধ্যেই কমিয়ে আনবে।

লবঙ্গ আর গোলমরিচের বড়ি

উপকরণ

লবঙ্গ গুঁড়ো, ব্ল্যাক সল্ট, গোলমরিচ গুঁড়ো।

পদ্ধতি

গুঁড়ো লবঙ্গ, ব্ল্যাক সল্ট আর গোলমরিচ একসঙ্গে পানি দিয়ে মিশিয়ে নিয়ে লেই মতো করুন। এবার ছোট ছোট মটরশুঁটির সাইজের বড়ি বানান আর রোদে শুকোতে দিন। এয়ার-টাইট কনটেনারে রাখুন। যখনই খুব সমস্যা হবে দুটো খেয়ে নেবেন। এছাড়া রোজই একটা করে খেতে পারেন বা মুখে রেখে চুষতে পারেন। ভালো লাগবে অনেকটা।

লবঙ্গের চা
সকালে উঠে চা তো খান। এবার যেভাবে বলছি সেভাবে সক্কাল সক্কাল উঠে খেয়ে দেখুন দেখি।

উপকরণ

লবঙ্গ কয়েকটা, তুলসী পাতা, গোটা গোলমরিচ, সামান্য মধু।

পদ্ধতি

লবঙ্গ, তুলসী পাতা আর গোলমরিচ পানিতে দিয়ে ফোটান দশ মিনিট ধরে। তারপর ছেঁকে নিন। এবার সামান্য মধু যোগ করে হাল্কা গরম থাকতে থাকতে খেয়ে নিন। আচ্ছা, সকালে এটা ভালো না লাগলে বিকেলে খান। কয়েকদিনেই ফল পাবেন।

তাহলে আজ থেকেই নিয়মিত লবঙ্গ খাওয়া শুরু করুন আর দেখুন ‘লং’ কিভাবে আপনার লং-টার্ম সুস্থ থাকার চাবিকাঠি হয়ে উঠতে পারে।

লম্বা স্বামী-বেটে স্ত্রী’রা যে কারণে দাম্পত্য জীবনে সবচেয়ে সুখী হয়

লম্বা স্বামী ও বেটে স্ত্রীদের সম্পর্ক ও সংসার জীবন সবচেয়ে বেশি সুখের হয় বলে দাবি করেছেন গবেষকরা। তাদের দাবি, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে উচ্চতার পার্থক্য যত বেশি হয়, সম্পর্ক ততই মজবুত ও সুখের হয়। এছাড়া তাদের মধ্যে যৌনসম্পর্কও খুবই গভীর হয় বলে দাবি করেছেন গবেষকরা।

পারসোনালিটি অ্যান্ড ইন্ডিভিজুয়াল ডিফারেন্সেস জার্নালে প্রকাশিত ওই গবেষণায় দাবি করা হয়, নারীরা সাধারণত লম্বা পুরুষদের প্রতি আকৃষ্ট হলেও লম্বা পুরুষরা তাদের বেশি সুখী করতে পারেন বলে কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে উচ্চতার পার্থক্য যত বেশি হয়, দাম্পত্য জীবন ততই সুখের হয় -এমন প্রমাণ মিলেছে গবেষণায়।

যদিও গবেষণাটি প্রকাশিত হওয়ার পর মিশ্র প্রতিক্রিয়া আসতে থাকে সোশ্যাল মিডিয়ায়। কেউ কেউ লিখেছেন, নিজেকে মানানসই দেখাতে বা সুখী হতে নয়, লম্বা সন্তান পেতেই বেশি উচ্চতার পুরুষদের দিকে ঝোঁকেন নারীরা।

আপনার মতামত