সংবাদ | বিনোদন | সারাক্ষন

সাপকে ভালোবেসে বিয়ে ও দৈহিক সম্পর্ক!

সাপকে ভালোবেসে বিয়ে- ভালোবাসা বড়ই বিচিত্র! কখন যে কে কার প্রতি ভালোবাসার আবেগে ভেসে যাবে তা কেউ আগে থেকে ঠিক করতে পারে না। সে সাপই হোক বা নির্জীব কোনো কিছু। যে কোনো কিছুর প্রতিই একজন ভালোবাসার মোহে আচ্ছন্ন হতে পারেন। অনেকেই বলবেন এ সম্পর্ক খামখেয়ালিপনা ছাড়া কিছু নয়।

অনেকে বলবেন, এ এক ধরণের মানসিক রোগ। এর পরও বিশ্বজুড়ে এমনই কিছু অদ্ভুতুরে প্রেম-পরিণয়ের ঘটনা দেখে নেওয়া যাক।

বিমবালা দাস নামে এক নারী দাবি করেন তিনি একটি কোবরা সাপের প্রেমে পড়েছেন। এতটাই যে, সাপটাকে বিয়ে পর্যন্ত করতে চান। এ খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ওড়িশায় খরদার ওই গ্রামে হইচই পড়ে যায়।

হিন্দু রীতি মেনে ভালোবাসার সাপের সঙ্গেই বিমবালাদেবীর বিয়ে দেওয়া হয় ২০০৬ সালে। গ্রামবাসীদের ধারণা, এ বিয়ে শুভ। এতে গ্রামের উন্নতি হবে। ওই নারীর দাবি, ‘সাপটির সঙ্গে তার দৈহিক সম্পর্কও রয়েছে।’ কিন্তু এটি কী করে সম্ভব তা স্পষ্ট নয়।

৩৭ বছরের এরিকা লা ট্যুর সেনা ছিলেন। কোনও পুরুষের প্রতি নয়, তিনি আকর্ষণ অনুভব করতেন জড় পদার্থের প্রতি। পাগলের মতো ভালবাসতেন আইফেল টাওয়ার-কে। ৩ বছর আইফেল টাওয়ারকে শুধু মনে মনেই ভালবেসে গেছেন। ২০০৭ সালে তার প্রেম নিবেদন এবং বিয়ে। বিবাহিত জীবন খুব সুখে কাটছে বলেই তার দাবি।

একেই বোধহয় বলে নিজেকে ভালবাসা! নিজের প্রতি ভালবাসা এতটাই যে নিজেকেই বিয়ে করে নেন চিনের লিউ ইয়ে। ফোম বোর্ডে নিজের মূর্তি বানিয়ে তাকে সুন্দর লাল জামায় মহিলা সাজান। নিজের মূর্তিটাকে বিয়ে করেন লিউ।

সিনডি নামে ডলফিনের প্রেমে পড়ে যান ব্রিটিশ মহিলা শ্যারন। ১৪ বছর ধরে নাকি সিনডিকে ভালবাসতেন তিনি। অনেক বার নিজের মনকে বোঝানোরও চেষ্টা করে বিফল হন। ২০০৬ সালে সিনডিকে নিজের মনের কথা জানান। রীতি মেনে বিয়ে হয় দু’জনের।

টিভিতে বার্লিনের দেওয়াল দেখে প্রেমে পড়ে যান এইজা রিট্টা। মাঝে মাঝে সেখানে যেতেনও। বার্লিন ওয়ালের চারপাশে কড়া নিরাপত্তা থাকায় কখনই নিজের প্রেম নিবেদন করতে পারতেন না। ১৯৭৯ সালে দেওয়ালের সঙ্গে বিয়ে করে নিজের নাম পরিবর্তন করে ফেলেন। ১৯৮৯ সালে যখন এই দেওয়ালটি ভেঙে ফেলা হয় মিসেস বার্লিন ওরফে এইজা স্বামীর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেন।

১৫ বছরের সঙ্গী সেসিলিয়াকে বিয়ে করেন জার্মানির মিটসচারলিচ। সিসিলিয়া তার পোষা একটি বিড়াল। পরে বিড়ালটি অসুস্থ হয়ে পড়ে। বেশি দিন বাঁচবে না জানায় জীবনসঙ্গীকে হারানোর শোকে খুবই ভেঙে পড়েছিলেন তিনি।

এ বিয়ের কথা অনেকেই শুনে থাকবেন। ২০০৮ সালে পাশ বালিশকে বিয়ে করেন লি জিন। বালিশটার নাম ছিল ডাকিমাকুরা। বালিশের কভারে বর বাবাজি লি জিন-এর প্রিয় কার্টুন চরিত্র আঁকা ছিল। সে জন্যই বালিশটাকে বিয়ে করেন লি। ব্রাইডাল ড্রেসে বালিশটাকে লাগছিলও খাসা!

মারিয়া গ্রিফিনের ঘটনা আবার একটু অদ্ভুত। সান বার্নারদিনোর বাসিন্দা মারিয়া জড় পদার্থের প্রতি তীব্র আকর্ষণ অনুভব করতেন। সেই তালিকায় বহুতল থেকে ট্রাক সবই ছিলো। একটি ট্রাকের সঙ্গে বিয়ে করেন। ট্রাকের সঙ্গে হানিমুনেও যান। তার দাবি, তার সেক্স লাইফ ভীষণই সুখে কাটছে।

থাইল্যান্ডের চাদিল ডেফির ঘটনা ভীষণই বেদনাদায়ক। খুব কাজের চাপ এ অজুহাতে প্রেমিকার বিয়ের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছিলেন চাদিল। পরে ২০১২ সালে গাড়ি দুর্ঘটনায় মারা যান প্রেমিকা সারিনয়া। ডেফি তার ভুল বুঝতে পারেন। প্রেমিকার অন্ত্যেষ্টিতে তাকে বিয়ে করেন।

নাম জোসেপ গুইসো। পোষ্যকে ডাকেন হানি বলে। অস্ট্রেলিয়ার জোসেপ কোনও এক বিকেলে হানিকে নিয়ে পার্কে ঘুরতে গিয়েছিলেন। সেখানে কুকুরের বিয়ের অনুষ্ঠান হচ্ছিলো। তা থেকেই অনুপ্রাণিত হয়ে বাড়ি ফিরে মেয়ে ল্যাব্রাডর হানি-কে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন। ঘটা করে তাদের বিয়েও হয়।

Comments
লোড হচ্ছে...