সংবাদ | বিনোদন | সারাক্ষন

সিজার ডেলিভারির জন্য আকুতি এই গর্ভবতীর, তারপর যা ঘটল

সিজার ডেলিভারির – তীব্র যন্ত্রণায় ছটফট করছিলেন গর্ভবতী এক তরুণী। দাঁড়াতে পারছিলেন না। বারবার বসে পড়ছিলেন। সেভাবেই হাতজোড় করে কাকুতি মিনতি করছিলেন স্বামী, শ্বশুরবাড়ির লোকদের। প্লিজ,

আমাকে সিজারিয়ান ডেলিভারি করাতে দাও। কিন্তু  এই অনুরোধে কান দেয়নি  স্বামী, শ্বশুরবাড়ির লোকজন। অবশেষে আত্মহত্যার পথ বেচে নেন তিনি।

ইউটিউবে ছড়িয়ে পড়েছে দুর্ভাগা ওই চীনা তরুণীর ভিডিও। গর্ভযন্ত্রণায় ছটফট করা মেয়েটি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন।

তাঁর সন্তানের মাথা খুব বড় হওয়ায় যন্ত্রণা হচ্ছিল মারাত্মক রকম। পরিত্রাণ পেতে সিজারিয়ান ডেলিভারি করতে দেওয়ার জন্য শ্বশুরবাড়ির পরিবারের লোকদের হাতে পায়ে ধরছিলেন তিনি।

চীনে নিয়ম হলো- সিজারিয়ান ডেলিভারির জন্য পরিবারের অনুমতি লাগে, যাঁর সন্তান হবে তিনি কী চান তা গুরুত্বহীন।

তাই মেয়েটি বাড়ির সবার কাছে নিজের অবস্থার কথা বলে বারবার বোঝাতে চেষ্টা করছিলেন কেন তাঁর সিজারিয়ান ডেলিভারি জরুরি।

কিন্তু চেষ্টা করে লাভ হয় না। তাঁর অনুরোধে কান দেয়নি কেউ। য্ন্ত্রণায় কুঁকড়ে যাওয়া মেয়েটির অবস্থা দেখেও স্বামী, শ্বশুরবাড়ি অনড় থাকে নর্মাল ডেলিভারিতেই।

পরে কষ্ট সইতে না পেরে মেয়েটি অবশেষে খুঁজে নেন আত্মহত্যার পথ। হাসপাতালের ৬ তলা থেকে ঝাঁপ দেন তিনি। মুহূর্তে পেটের বাচ্চা শেষ। তিনিও।

সূত্র: এবিপি

অন্যরা যা পড়ছে 

রাজধানীতে এক তরুণীর দুই স্বামী : গর্ভের সন্তান নিয়ে যুদ্ধ!

এক তরুণী একসঙ্গে দুই স্বামীর সংসার করতে গিয়ে মহাবিপাকে পড়েছেন। একই সঙ্গে ওই তরুণীর গর্ভের সন্তানকে দুই স্বামী নিজ সন্তান বলে দাবি করলে শুরু হয় যুদ্ধ।

রাজধানীতে এক তরুণীর দুই স্বামী : গর্ভের সন্তান নিয়ে যুদ্ধ!

রাজধানীর ধামরাইয়ে সুতিপাড়া ইউনিয়নের শ্রীরামপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।

এ ঘটনা জানাজানি হলে গ্রামবাসী তাদের সামাজিকভাবে একঘরে করে রেখেছে।

জানা গেছে, ২০১০ সালে ধামরাইয়ের সুতিপাড়া ইউনিয়নের ওই তরুণীর সঙ্গে একই এলাকার জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে কাবিন রেজিস্ট্রি করে বিয়ে হয়। তাদের সংসারে এক কন্যাসন্তান রয়েছে।

ওই তরুণী আবারও ২০১৭ সালের ২৮ জুন ঢাকার নোটারি পাবলিক আদালতে অ্যাফিডেভিটের মাধ্যমে চট্টগ্রামের সন্দ্বীপের বাসিন্দা মো. সুমন আহম্মেদকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর তারা আশুলিয়ার লাল পাহাড় এলাকায় বসবাস করছিলেন। এর ফাঁকে তিনি আগের স্বামীর সঙ্গেও মেলামেশা করতে থাকেন।

ঈদুল আজহার সপ্তাহখানেক আগে ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা হলে আগের স্বামীর ঘরে ফিরে যান। পরদিন পরের স্বামীও সেখানে যান এবং স্ত্রীর গর্ভের সন্তান নিজের বলে দাবি করেন। এ সময় আগের স্বামীও একই দাবি করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় ব্যাপক সমালোচনার ঝড় ওঠে।

স্ত্রী ও গর্ভের সন্তান দুই স্বামী দাবি করলে ব্যাপক বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। এলাকাবাসীর প্রতিবাদের মুখে ওই তরুণীর দুই স্বামী স্ত্রীর পিত্রালয় থেকে চলে যেতে বাধ্য হন। এলাকাবাসী তাদের তিন পরিবারকেই একঘরে রাখার সিদ্ধান্ত নেয়।

এদিকে শুক্রবার সকালে শ্রীরামপুর এলাকায় আসেন ওই তরুণীর দুই স্বামী। এ সময় তারা দুজনেই স্ত্রী ও গর্ভের সন্তান নিয়ে নিজ এলাকায় যেতে চাইলে ফের নতুন করে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

শনিবার সকালে মাতব্বর মো. আব্দুল মজিদ ও মো. রফিকুল ইসলাম মিলন মাস্টার এ ব্যাপারে জানান, বিষয়টি খুবই স্পর্শকাতর ও ধর্মীয় অনুভূতিতে চরমভাবে আঘাত হানে। এ কারণে ওই তিন পরিবারকে সামাজিকভাবে একঘরে করে রাখা হয়েছে।

একই রকম পোস্ট
Comments
লোড হচ্ছে...