সংবাদ | বিনোদন | সারাক্ষন

রোহিঙ্গার জন্য এগিয়ে আসুন: সৌদি রাজাকে দিল্লির ঐতিহাসিক জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা বুখারী

সৌদি রাজাকে – ভারতের দিল্লির ঐতিহাসিক জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা সাইয়্যেদ আহমদ বুখারী মিয়ানমারে রোহিঙ্গা নির্যাতন ইস্যুতে মুসলিম দেশসমূহের নীরবতার সমালোচনা করেছেন। মুসলিম দেশগুলোর নীরবতাকে ‘দুঃখজনক’ বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

সৌদি রাজা সালমান বিন আব্দুল আজিজকে দেয়া এক চিঠিতে রোহিঙ্গা ইস্যুতে মুসলিম দেশগুলোর জরুরি বৈঠক ডাকার আহ্বান জানিয়ে মাওলানা বুখারী বলেন,

‘বর্তমান সময়ে মিয়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলিমরা যে ধরণের বেদনাদায়ক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে তা আপনি অবগত হয়ে থাকবেন। সেখানে প্রকাশ্যে মানবাধিকার লঙ্ঘন করা হচ্ছে। নিরাপত্তা বাহিনী ও সংখ্যাগরিষ্ঠ বৌদ্ধরা মুসলিমদের বিরুদ্ধে বর্বর অত্যাচার চালাচ্ছে। হাজারো রোহিঙ্গা মুসলিমদের হত্যা করা হয়েছে। কমপক্ষে এক লাখ মানুষ সেখান থেকে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। এ অবস্থায় সেখানকার পরিস্থিতি অত্যন্ত নাজুক ও বিভীষিকাময়। রোহিঙ্গা মুসলিমরা অস্তিত্বের সঙ্কটে পড়েছেন। তারা আশ্রয় ও খাদ্য সামগ্রীর গুরুতর সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে।’

রোহিঙ্গাদের মানবেতর জীবনযাপন

মাওলানা বুখারী সৌদি রাজাকে ওই মানবিক সঙ্কটের প্রতি দৃষ্টি দিয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখে পড়া রোহিঙ্গা মুসলিমদের রক্ষা করতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। তার মতে, সৌদি আরবের উদ্যোগে ৫৭টি মুসলিম দেশের ঐক্যবদ্ধ হলে এবং সৌদি আরব চাইলে রোহিঙ্গা মুসলিমদের সমস্যা স্থায়ীভাবে সমাধান করতে পারে।

এ ধরণের পদক্ষেপ নিলে তা বিশ্বের চোখে প্রশংসিত হবে এবং আল্লাহ্‌র কাছেও পুরস্কৃত হওয়ার কারণে পরিণত হবে বলে মাওলানা সাইয়্যেদ আহমদ বুখারী মন্তব্য করেছেন।

অন্যরা যা পড়ছে 

মহানবী (সা.) কে দেখে একটি উট যে কারণে কেঁদেছিলো

মহানবী (সা.) কে দেখে একটি উট যে কারণে কেঁদেছিলো – আবূ জাফর আব্দুল্লাহ ইবনে জাফর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে সওয়ারীর উপর তাঁর পিছনে বসালেন এবং আমাকে তিনি একটি গোপন কথা বললেন, যা আমি কাউকে বলব না। আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উঁচু জায়গা (দেওয়াল, ঢিবি ইত্যাদি) অথবা খেজুরের বাগানের আড়ালে মল-মূত্র ত্যাগ করা সবচেয়ে বেশি পছন্দ করতেন।’ (ইমাম মুসলিম এটিকে সংক্ষিপ্তভাবে বর্ণনা করেছেন)

বারক্বানী এতে মুসলিমের সূত্রে বর্ধিত আকারে খেজুরের বাগান’ শব্দের পর বলেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক আনসারীর বাগানে প্রবেশ করে সেখানে একটা উট দেখতে পেলেন। উটটা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখে ফুঁপিয়ে কাঁদতে লাগল এবং তার চোখ দিয়ে অশ্রু ঝরতে লাগল।

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর কাছে এসে তার কুঁজে এবং কানের পিছনের অংশে হাত ফিরালেন, ফলে সে শান্ত হল। তারপর তিনি বললেন, এই উটের মালিক কে? এই উটটা কার?’’ অতঃপর আনসারদের এক যুবক এসে বলল, এটা আমার হে আল্লাহর রাসুল!’ তিনি বললেন, তুমি কি এই পশুটার ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় করো না, আল্লাহ তোমাকে যার মালিক বানিয়েছেন? কারণ, সে আমার নিকট অভিযোগ করছে যে, তুমি তাকে ক্ষুধায় রাখ এবং (বেশি কাজ নিয়ে) ক্লান্ত করে ফেলো!’’[মুসলিম ৩৪২, ২৪২৯, আবু দাউদ ২৫৪৯, ইবন মাজাহ ২৪০, আহমদ ১৭৪৭, দারেমি ৬৬৩, ৭৫৫]

একই রকম পোস্ট
Comments
লোড হচ্ছে...